দিনাজপুরের পুরাতন কাঞ্চন রেল ব্রিজ এখন ক্রাইম জোনে পরিণত

দিনাজপুরের পুরাতন কাঞ্চন রেল ব্রীজটি এখন ক্রাইম জোনে পরিণত হয়েছে। রাতদিন জুয়া, চুয়ানী ও ফেন্সিডিল ব্যবসার সমারোহ চলছে। সেইসাথে একশ্রেণির গ্রীল চোর অবাধে ব্রীজের রেলিং কেটে বিক্রি করতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই অর্ধেক রেলিং কেটে সাবাড় করেছে। সরেজমিন তদন্তে জানা গেছে, দিনাজপুর বালুয়াডাঙ্গা তত্সমূহ পুরাতন কাঞ্চন রেলব্রীজের নিচে চলছে জুয়া, চুয়ানী ও ফেন্সিডিলের অবৈধ ব্যবসা। প্রশাসনের কতিপয় অসাধু ব্যক্তি প্রকাশ্যে দিনরাতে ঐ আসরে বসে টাকা তুলছে। আসর বলতে এক স্থানে নয় অন্যান্য স্থানের ৫/৬টি জায়গায় জুয়া খেলা চলে। রাতে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে ব্রীজটির নিচে ৫/৬টি স্থানে মোমবাতি জ্বালিয়ে চলছে খেলা। দেখলে মনে হবে যেন কোন গ্রামের বাজার বসেছে। বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায়, মুন্সিপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি প্রতি সপ্তাহে একটি নির্দিষ্ট সেলামী আদায় করে থাকে। এখানে লক্ষণীয় বিষয় এই যে, বিরল, বিজোড়া, বাসিয়াপাড়া, দপ্তরি পাড়া থেকে মোটর সাইকেলযোগে এখানে এসে লাখ লাখ টাকার জুয়া খেলে। তত্সহ চলছে চুয়ানী, ফেন্সিডিল নেশাজাতীয় দ্রব্য ব্যবসা। অথচ প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে। এসব অবৈধ কাজে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতার ফলে এলাকায় চুরি, ছিনতাই, রাহাজানি বাড়ছে। নতুন প্রজন্মরা শিখছে অন্ধকারের দেশে কিভাবে পৌঁছাতে হয়। এরই ফাঁকে একশ্রেণির বখাটে নেশার টাকা জোগাড় করতে না পারলে ব্রীজের রেলিং কেটে ভাঙ্গারির দোকানে বিক্রি করছে। সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার লোহা ও যন্ত্রাংশ পাচার বৃদ্ধি সৈয়দপুর (নীলফামারী ) সংবাদদাতা সৈয়দপুর শহরে লোহা চোরদের তত্পরতা আশংকাজনকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোনভাবে পাচার হচ্ছে লোহা বা দামি যন্ত্রাংশ। পাচারকৃত রেলওয়ের মালামালগুলো প্রথমে যাচ্ছে লোহা চোরদের গোডাউনে। এরপর রাতের অন্ধকারে সেখান থেকে পাচার করা হচ্ছে শহরের টিউবওয়েল কারখানা, ভাংগারী লোহার গোডাউনসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। পাচারকৃত মালামালগুলো হলো আন্ত- রেল লাইন, লোহার স্লিপার, তামা-পিতল-কাস্টিং ও ঢালাই লোহা। গত ১৫ দিন ধরে একই নিয়মে দিনে ও রাতে ওইসব মালামাল পাচারের দৃশ্য লক্ষ্য করা গেছে। গত মাস খানেক আগে পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েক টন চোরাই লোহা আটক করার কারণে মাত্র ১০/১২ দিন লোহা চুরি বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু বর্তমানে পূর্বের অবস্থা বিদ্যমান। ননী মন্ডল নামে এক ব্যক্তি রেলওয়ে কারখানার ভিতর থেকে রাতের অন্ধকারে আন্ত রেল লাইন, লোহার স্লিপার, তামা, পিতল, কাস্টিং ও ঢালাই লোহা পাচার করে দিচ্ছে কারখানার বাইরে থাকা লোহা চোর শাহিন ও আশরাফের কাছে। এরপর ওই চোরেরা রাতেই অথবা ভোর বেলা শহরের টিউবওয়েল কারখান, ভাঙ্গারী লোহার গোডাউনসহ শহরের বাইরে পাচার করছে।