অর্থ পাচারকারীর নাম আরাফাত রহমান কোকো :অর্থমন্ত্রী

সোসাইটি ফর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারব্যাংক ফিন্যান্সিশিয়াল টেলিকমিউনিকেশন (এসডব্লিউআইএফটি)-এর মাধ্যমে ২০১২ সালের ২০ নভেম্বর সিঙ্গাপুরে পাচারকৃত ২০ লাখ ৪১ হাজার ৫৩৪ দশমিক ৮৮ সিঙ্গাপুর ডলার ফেরত আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। গতকাল বুধবার সংসদে চট্টগ্রাম-৩ আসনের মাহফুজুর রহমানের টেবিলে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘উক্ত পাচারকারীর নাম জনাব আরাফাত রহমান কোকো, পিতা-মরহুম জিয়াউর রহমান (সাবেক রাষ্ট্রপতি)।’ একই প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই পাচারকৃত অর্থ দেশে ফেরত আনার বিষয়ে সচেষ্ট ও তত্পর। সিলেট-৩ আসনের মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে মুহিত সংসদকে জানান, দেশের পুঁজিবাজারের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার বাস্তব ও সময় উপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে ডেরিভেটিভ মার্কেট প্রতিষ্ঠা, বন্ড মার্কেট শক্তিশালীকরণ এবং স্বতন্ত্র ক্লিয়ারিং করপোরেশন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, পুঁজিবাজার সম্পর্কিত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের যে কোনো অভিযোগ সুষ্ঠু সমাধানের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন সবসময় সক্রিয়। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের যে কোনো অভিযোগ পাওয়ার পর বিএসইসি যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। মাদারীপুর-৩ আসনের আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিমের পুঁজিবাজার সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বর্তমানে পুঁজিবাজারে লেনদেন আগের তুলনায় অনেকাংশে বেড়েছে। পৃথিবীর সকল দেশের পুঁজিবাজারের লেনদেন কমবেশি হওয়া একটি স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশের পুঁজিবাজার বর্তমানে একটি মৌল ভিত্তির ওপর দণ্ডায়মান। মাথাপিছু আয় ১১৯০ মার্কিন ডলার কুমিল্লা-১ আসনের সুবিদ আলী ভুঁইয়ার এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে মাথাপিছু আয় ১ হাজার ১৯০ মার্কিন ডলার। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রয়েছে ২০ দশমকি ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (চলতি বছরের ৩ জুন পর্যন্ত)।