বিদেশি দুই কোম্পানির কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি

মাগুরছড়া ও টেংরাটিলায় গ্যাস দুর্ঘটনা সিলেটের মাগুরছড়া ও টেংরাটিলা খনি বিস্ফোরণে গ্যাসসম্পদের ক্ষয়ক্ষতির জন্য শেভরণ ও নাইকোর কাছ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি করেছে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুত্-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি। শনিবার মাগুরছড়া দিবস উপলক্ষে রাজধানীর পুরানা পল্টনের মুক্তিভবনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ দাবি করা হয়। কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ সভায় সাত দফা দাবি তুলে ধরে বলেন, শেভরন ও নাইকোর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণের ৫০ হাজার কোটি টাকা আদায় করে তা খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান, উত্তোলন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্পদ বিকাশে জাতীয় সংস্থার কার্যক্রম এবং বিদ্যুত্ প্লান্ট স্থাপনে ব্যয় করতে হবে। তিনি বলেন, মাগুরছড়া ও টেংরাটিলা খনি বিস্ফোরণে বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত গ্যাস মজুতের মধ্যে কমপক্ষে ৫৫০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ধ্বংস হয়েছে। গত দেড় বছরে সারাদশের বিদ্যুত্ উত্পাদনে যে পরিমাণ গ্যাসের চাহিদা ছিলো এই দু’টো গ্যাসক্ষেত্রে তার প্রায় সমপরিমাণ গ্যাস নষ্ট হয়েছে। অবিলম্বে ‘দায়মুক্তি আইন’ বাতিল করে ‘খনিজ সম্পদ রফতানি নিষিদ্ধ আইন’ পাস করার দাবি জানিয়ে আনু মুহাম্মদ বলেন, সুন্দরবন ধ্বংসের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্রসহ সব অপতত্পরতা বন্ধ করতে হবে। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মো. শহীদুল্লাহ, অধ্যাপক ড. তানজিম উদ্দিন খান, সিপিবি নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, গণসংহতি আন্দোলন নেতা অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম প্রমুখ। প্রকৌশলী শেখ মো. শহীদুল্লাহ বলেন, সরকারের নতজানু নীতির কারণে ক্ষতিপূরণ আদায় সম্ভব হচ্ছে না। কোনো সরকারই ক্ষতিপূরণ আদায়ে উদ্যোগ নেয় না।