বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৩০ ডিসেম্বর কোনো নির্বাচনই হয়নি। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মানুষের ভোট দখল করে নেয়া হয়েছে। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যে পার্লামেন্ট গঠন করা হয়েছে তা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না। তাই নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় সরকারের মাধ্যমে অবিলম্বে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিতে হবে। গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বিএনপি সমর্থিত ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন(ডিইউজে) এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ দাবি জানান।
ফখরুল বলেন, আমরা যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ অর্জন করেছিলাম তা একে একে দলীয়করণ হয়েছে। বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা দলীয়করণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিজেদের মতো করে ব্যবহার করা হচ্ছে। দেশের অর্থনীতিতে তারা লুটের রাজত্ব কায়েম করেছে। সবখানে একটা অস্বস্তিকর ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় আমাদের সব থেকে বেশি প্রয়োজন ঐক্য।
ফখরুল বলেন, ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন প্রণয়ন করে সরকার সাংবাদিকদের স্বাধীনতা হরণ করছে। অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে একটার পর একটা পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছে, টিভি চ্যানেলগুলো বন্ধ করা হয়েছে, অসংখ্য সাংবাদিক চাকরিচ্যুত হয়েছে। ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের মাধ্যমে সাংবাদিকদের সমস্ত স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে।
বিএফইউজের (একাংশের) সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে ইফতারে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মাহবুবউদ্দিন খোকন, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক তাসনীম আলম, সাংবাদিক নেতা এম আবদুল্লাহ, কাদের গণি চৌধুরী, শহীদুল ইসলাম, ইলিয়াস হোসেন, গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।