৯ দিন পর পুলিশ হেফাজত থেকে মুক্তি পেল হাতি

নীলফামারীর ডিমলায় ৯ দিন আটক থাকার পর বৃহস্পতিবার রাত ১টায় হাতির মালিকে হাতিটি হস্তান্তর করা হয়েছে। গত ৪ জুন রাতে উপজেলার ঝুনাগাছ চাঁপানী এলাকা থেকে একটি হাতি উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। হাতিটি থানার ক্যাম্পাসে বাঁধা থাকার ৯ দিন পর আদালতের নির্দেশে মালিককে দেয়া হয়েছে। বগুড়া আদালত সোমবার নীলফামারী পুলিশ সুপারকে সঠিক মালিকানা যাচাইপূর্বক হাতিটি প্রদানের নির্দেশ দেয়। একই দিন রাজশাহী বনবিভাগ হাতিটি নেয়ার জন্য ডিমলা থানায় আসে। বৃহস্পতিবার নীলফামারী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশে হাতিটি মালিককে হস্তান্তর করে পুলিশ। জানা যায়, হাতিটি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার দোয়াল গ্রামের সাঈদ সেটের পুত্র নইম উল্ল্যাহর। নইমউল্ল্যাহ বর্তমানে বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে বসবাস করে। হাতির মালিককে নিকট রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ধরলাকান্দি গ্রামের মৃত জমির উদ্দিনের পুত্র হালিম মিয়া ২০১৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর ১ বছরের জন্য ৩ লাখ টাকার চুক্তিতে সার্কাসের জন্য ভাড়া নিয়ে নগদ ১ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা প্রদান করেন। অবশিষ্ট টাকা ৪ কিস্তিতে পরিশোধ করার অঙ্গীকার করে হালিম মিয়া হাতিটি নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। হালিম মিয়া চুক্তি অনুযায়ী অবশিষ্ট টাকা ও হাতিটি ফেরত দিতে অস্বীকার করে। রাজশাহী অঞ্চলের বন্যপ্রাণী ও জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা তারিক কবির বলেন, হাতিটি বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে নেয়ার জন্য আসলেও পুলিশ হাতিটি তাদের নিকট হস্তাস্তর করেনি। বিষয়টি নিয়ে আর কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। ডিমলা থানার ওসি শওকত আলী জানায়, আদালতের নির্দেশে হাতির প্রকৃত মালিককে হস্তান্তর করা হয়েছে। হাতিটির জন্য বনবিভাগ রাজশাহী অব্জল থেকে দাবি করলেও হাতির মালিক থাকায় আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক মালিকের হাতিটি দেয়া হয়েছে।