আষাঢ়ের প্রথম দিনেই নামল বৃষ্টি
প্রকাশ : ১৫ জুন ২০১৪, ২২:৪৪
আষাঢ়ের প্রথম দিনেই বৃষ্টি। তপ্ত রাজধানীসহ প্রায় গোটা দেশই সিক্ত হলো কাঙ্ক্ষিত বর্ষণে। দিনভর তাতানো রোদ্দুর আর গুমট গরমের পর সন্ধ্যায় বৃষ্টি নামল রাজধানীতে। একেবারে অঝোর ধারায় না হলেও গরমে অতিষ্ঠ নগরবাসীর জন্য তা যথেষ্ট। আবহাওয়া অফিস জানাল, যশোরে সর্বোচ্চ তাপ চড়ে ছিল, আবার কাল সেখানেই সর্্বোচ্চ বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে ১৯ মিলিমিটার। আজও বৃষ্টি হতে পারে। জনজীবনে ফিরতে পারে স্বস্তি। আবহাওয়াবিদদের মতে, বাংলাদেশ পা রাখলো বর্ষার বৃষ্টিধূমল চৌকাঠে।
আবহাওয়া অফিস বলেছে, ২১ জুন পর্যন্ত পশ্চিম লঘুচাপটি পশ্চিববঙ্গ ও তত্সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এর বর্ধিতাংশটি উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে এবং এ সপ্তাহে সারাদেশে বিস্তার লাভ করতে পারে। এ সময়ে রংপুর, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের অনেক স্থানে এবং দেশের অন্যত্র কিছু কিছু স্থানে হালকা (৪ থেকে ১০ মিলিমিটার) থেকে মাঝারি (১০ থেকে ১২ মিলিমিটার) ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে অস্থায়ী ও ঝড়ো হাওয়াসহ বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি (২২ থেকে ৪৪ মিলিমিটার) হতে পারে। এ সময়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
এদিকে প্রকৃতিতে গ্রীষ্মের রুদ্র দহন ছিন্ন করে আষাঢ়ের প্রথম দিবসটিতে যখন প্রাণ জুড়ানো বৃষ্টির ফোঁটায় কেউ কেউ মনের আনন্দে ভিজে নিয়েছেন। বর্ষা বরণের নানা আয়োজন ছিলো নগরীর এখানে সেখানে। আর তাই একটুখানি বৃষ্টি যেন কাঙ্ক্ষিত হয়ে ছিল সবার মনে। নগরবাসীর সেই আকাঙ্ক্ষাকে ভরিয়ে দিতে শেষ বিকালে তাই পাওয়া গেল বৃষ্টির দেখা। ক্যাম্পাসে অনেককে গলা ছেড়ে গান গাইতে দেখা গেছে:বর্ষার প্রথম দিনে/ ঘনকালো মেঘ দেখে/ আনন্দে যদি কাঁপে তোমার হূদয়/ সেদিন তাহার সাথে কর পরিচয়....। কিংবা ’যদি মন কাঁদে, তুমি চলে এসো, চলে এসো, এক বরষায়.. এসো ঝর ঝর বৃষ্টিতে, জল ভরা দৃষ্টিতে...।