প্রশ্ন ফাঁস যদি হতেই থাকে?
প্রকাশ : ১৬ জুন ২০১৪, ২১:৫৭
গত ১৭ মে এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এবারের পরীক্ষায় সারা বাংলাদেশে ৯১% শিক্ষার্থী পাস করেছে। ২০১০ সালে পাসের হার ছিল ৭৯.৯৮ %। ২০১০ থেকে ২০১৪ এই চার বছরে কি শিক্ষা বিভাগে এতবড় বিপ্লব ঘটে গেল যে ৯১% শিক্ষার্থী এসএসসিতে পাস করে গেল। এই ৯১% শিক্ষার্থীর কি মেধার সঠিক মূল্যায়ন হয়েছে? নাকি অন্য কোনো শক্তি এতে কাজ করছে? অন্য কোনো শক্তি বলতে বোঝাচ্ছি ব্যাঙের ছাতার মতো কোচিং সেন্টারগুলোকে। কোচিং সেন্টারগুলো চায় এসএসসি আর এইচএসসিতে তাদের কাছে পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীরা ভালো ফলাফল করুক যাতে তাদের ব্যবসা টিকে থাকে, যাতে তারা বলতে পারে আমার কোচিং থেকেই ছাত্রটি বা ছাত্রীটি ভালো ফলাফল করেছে। আজকাল আবার দেখছি আলু-পটল ব্যবসায়ীদের মতো স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা সিন্ডিকেট করে নতুন নতুন নাম দিয়ে কোচিং বাণিজ্য করছেন এবং সেইসঙ্গে দেশীয় প্রযুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে দেশীয় প্রযুক্তির সহায়তায় প্রশ্ন ফাঁসের মতো মহান কাজটি করছেন ! এটাই কি ফলাফল? ছাত্রছাত্রীদের মেধাহীন রেখে প্রশ্ন ফাঁস করে পাস করিয়ে নেওয়াই কি শিক্ষার মূল লক্ষ্য? প্রশ্ন ফাঁস যদি হতেই থাকে তাহলে কি আমরা জাতি হিসেবে মেরুদণ্ডহীন হয়ে পড়বো না?
এস এম হূদয় রহমান,
রসুলপুর, দনিয়া,
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা