বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি দাবি
প্রকাশ : ১৬ জুন ২০১৪, ২২:১১
রাজধানীর মিরপুরের কালশী বিহারী ক্যাম্পে দশজনকে পুড়িয়ে ও গুলি করে হত্যার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিএনপি। গতকাল সোমবার দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বিহারী ক্যাম্প পরিদর্শনকালে এ দাবি জানানো হয়।
প্রতিনিধি দলে স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবদুস সালামসহ বেশ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা পত্র-পত্রিকাতে দেখেছি ক্ষমতাসীন দলের এমপি ইলিয়াস মোল্লাসহ তাদের নেতারা জমি দখল করতে বিহারী ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা সরকারকে বলছি- এ ঘটনায় বিচার বিভাগীয় সুষ্ঠু তদন্ত করুন। দোষীদের গ্রেফতারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।
বিহারী পল্লীর ঘটনায় ইলিয়াস মোল্লা জড়িত বলে অভিযোগ করে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটা বাঙালি-বিহারীর মধ্যকার দ্বন্দ্বের কারণে হয়নি। স্থানীয় এমপি ইলিয়াস মোল্লা কর্তৃক জমি দখলের উদ্দেশে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
‘অপকর্ম ঢাকতেই একের পর এক
সহিংস ঘটনা’
গতকাল বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে আওয়ামী লীগ একের পর এক সহিংস ঘটনা ঘটাচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ, ফেনী ও বিহারী ক্যাম্পের ঘটনা এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
তিনি বলেন, নূর হোসেন গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে সৈয়দ আশরাফ কিছুই জানেন না। অথচ সারাদেশের মানুষ জানে। দেশ চালানোর কাজে সরকারের মন্ত্রী এবং কর্মকর্তাদের মাঝে কোনো সমন্বয় নেই। আওয়ামী লীগের একটাই লক্ষ্য কীভাবে ক্ষমতায় থাকা যায়। আশরাফ দলের সেক্রেটারি এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, একজন এমপি এ ঘটনা জানেন অথচ তিনি জানেন না।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবদুস সালাম, বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সহকারী দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ প্রমুখ।