জোকস
প্রকাশ : ১৮ জুন ২০১৪, ১৯:৪৬
সর্দার তার বন্ধুকে বলছেন, ‘জানিস, আমি গোয়েন্দা উপন্যাস সব সময় মাঝামাঝি থেকে পড়া শুরু করি। তাতে মজাটা বেশি হয়।’
বন্ধু :কীভাবে?
সর্দার :কারণ তখন শুধু উপন্যাসের শেষ না, শুরুটা জানারও কৌতূহল থাকে!
গোয়েন্দাপ্রধান :চোরাকারবারিদের অনুসরণ করে তুমি কি হোটেল সুপার স্টারে গিয়েছিলে?
গোয়েন্দা সহকারী :অবশ্যই, স্যার!
গোয়েন্দাপ্রধান :ওরা তোমাকে চিনে ফেলেনি তো?
গোয়েন্দা সহকারী :অসম্ভব, স্যার। আমি ছদ্মবেশ নিয়ে হোটেলের ভেতরে ঢুকে গেছি।
গোয়েন্দাপ্রধান :কিসের ছদ্মবেশে গিয়েছিলে?
গোয়েন্দা সহকারী :স্যার, ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে।
গোয়েন্দাপ্রধান :কী?! হোটেল সুপার স্টারের মতো একটা জায়গায় তুমি ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে গিয়েছ? তোমাকে তো ভেতরে ঢুকতেই দেওয়ার কথা না!
গোয়েন্দা সহকারী :হা হা! স্যার কি আমাকে অত বোকা ভেবেছেন? জানতাম, ঢুকতে দেবে না। সে জন্য আগে থেকেই গলায় পরিচয়পত্রটা ঝুলিয়ে রেখেছিলাম!
পথ ধরে যাচ্ছিলেন শফিক সাহেব। হঠাত্ দেখলেন, ছোট্ট একটা ছেলে মাথায় লাল টুপি আর লাল পোশাক পরে কী যেন খেলছে। ছেলেটার কাঁধে একটা ছোট মই। হাতে দড়ি। দড়ির অপর প্রান্ত একটা কুকুরের লেজের সঙ্গে বাঁধা।
শফিক :খোকা, কী খেলছ?
খোকা :দেখছেন না, আমি একজন দমকলকর্মী। আর এই কুকুরটা, এটা আমার গাড়ি।
শফিক :বাহ্! খুব ভালো। তবে আমার মনে হয়, তুমি যদি দড়িটা লেজে না বেঁধে গলায় বাঁধতে, তাহলে তোমার গাড়িটা দ্রুত চলত।
খোকা :তা ঠিক বলেছেন। তবে তখন আর দড়ি ধরে টানলেই সাইরেন বাজত না!