চাঁদা দাবির অভিযোগ

খিলগাঁও জোনের সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

চাঁদা দাবি ও হুমকীর অভিযোগে পুলিশের খিলগাঁও জোনের সাবেক সহকারী কমিশনার (এসি)সহ এগারোজনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত একটি মামলা সিআইডিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার আসামিরা হলেন, মাসুদুর রহমান ওরফে আজাদ, খিলগাঁও জোনের সহকারী কমিশনার নূর ই আলম সিদ্দিকী, আনসার আলী, তার স্ত্রী মুক্তা বেগম, শফিকুল ইসলাম, সুজাউল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, মাহফুজা বেগম, পারভীন, আমিরুল ও বাদশা মিয়া। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বড় মগবাজার নয়াটোলার বাসিন্দা হাজী মো: আমীর আলী খান উক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে এ মামলাটি করেন। বাদির পক্ষে আদালতে মামালাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট রাফিকুল ইসলাম মোল্লা। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ তারেক মইনুল ইসলাম বাদির জবানবন্দি গ্রহণ করে এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে অভিযোগটি তদন্ত করে আগামী ১৭ জুলাই এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে গত ৫ মে আসামিরা অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জন সন্ত্রাসীসহ বাদি হাজী মো: আমীর আলী খানের বাড়িতে এসে চাঁদা দাবি করে। কেয়ারটেকার ও বাড়ির অন্যান্য লোকজনকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা চালায়। আমীর আলী খান ঘটনাস্থলে পৌছালে এসময় সেখানে উপস্থিত থাকা সহকারী কমিশনারের নির্দেশে রামপুরা থানার এসআই রফিক কথা আছে বলে তাকে থানার গাড়িতে করে নিয়ে যায়। আসামি মাসুদুর রহমান আজাদ এর নির্দেশে ও এসি নূর ই আলম সিদ্দিকীর সহায়তায় অন্য আসামি মুক্তা বেগম আমীর আলী খানের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা করে। পরের দিন তাকে আদালতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। ওইদিনই আদালত আমীর আলীকে জামিন দেন।