দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে ঢুকেছে মৌসুমী বায়ু, তবে দুর্বল

স্বস্তির বার্তা নিয়ে মৌসুমী বায়ু গতকাল বুধবার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে প্রবেশ করেছে। কিন্তু একেবারেই দুর্বল। সে কারণে প্রত্যাশিত বৃষ্টি হচ্ছে না। এবার কিছুটা বিলম্বে মৌসুমী বায়ুর একটি শাখা ছয় জুন ভারতের কেরালায় পৌঁছে। সেখান থেকে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সময় নিয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে পৌঁছায়। ঢাকা আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মোঃ শাহ আলম জানান, বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় মৌসুমী বায়ু কিছুটা সক্রিয় থাকলেও ভূমিতে পৌঁছানোর পর তা দুর্বল হয়ে পড়েছে। পাঁচ থেকে সাত বছর পর পর আবহাওয়ায় এ ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। অন্যান্য কারণ ছাড়াও এলনিনোর কারণে এবার মৌসুমী বায়ুর এমন দশা হয়েছে। এবার ভ্যাপসা গরম কমার সম্ভাবনা কম। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। কোথাও কোথাও তার চেয়েও বেশি। এই ধরনের বৈরী গরম পরিবেশে আমাদের দেশের মানুষ অভ্যস্ত নয়। মৌসুমী বায়ু প্রবেশের আগে প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি হয়। এবার তা হয়নি। কোথাও কোথাও বৃষ্টি হচ্ছে। তবে তা প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি নয়। স্থানীয় ভাবে বজ্রগর্ভ মেঘ সৃষ্টি হচ্ছে। যার প্রভাবে বৃষ্টি হচ্ছে। গতকাল আকাশে মেঘ থাকায় রোদের তেজ তেমন ছিল না। আর্দ্রতা বেশি ছিল। আকাশে মেঘের সঙ্গে দক্ষিণা বাতাসের জোর বেড়েছে। এতে একটু স্বস্তি মিলেছে। মৌসুমী বায়ুর ওপর চাষাবাদ নির্ভর করে। এখন রোপা আমনের বীজতলা তৈরির সময়। বৃষ্টির জন্য চাষি অপেক্ষা করছে। আবার কেউ কেউ সেচ দিয়ে বীজতলা তৈরি করেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক জানান, আগামী মাস থেকে পুরোদমে রোপা আমনের চারা রোপণ শুরু হবে। এ সময় ভারি বৃষ্টি না হলে চাষ ব্যাহত হবে।