রক্ষণাত্মক ফুটবলে সন্তুষ্ট লুইজ

কদিন আগে পেলে বলেছিলেন, ‘এবার রক্ষণভাগই ব্রাজিলের মূল শক্তির জায়গা।’ পেলের কথা মেনেই যেন এবার শুরু থেকেই কিছু রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলছে সেলেচাওরা। আর এই শক্তিশালী রক্ষণাত্মক ফুটবল নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন দলের ডিফেন্ডার ডেভিড লুইজ। গত মঙ্গলবার মেক্সিকোর বিরুদ্ধে ম্যাচে ১ পয়েন্ট নিয়েই খুশি থাকতে হয়েছে স্বাগতিকদের। প্রথম দুই ম্যাচে তাদের পয়েন্ট এখন ৪। আক্রমণাত্মক ফুটবলের জন্যই এতোদিন পরিচিত ছিল ব্রাজিল। তবে কোচ স্কলারির হাত ধরে এবার যেন বদলে যেতে শুরু করে ব্রাজিলের ফুটবল। আক্রমণের চেয়ে স্কলারি বেশি মনোযোগী রক্ষণভাগের শক্তি বাড়াতে। তার রক্ষণভাগে রয়েছেন অধিনায়ক থিয়াগো সিলভা, ডেভিড লুইজ, পলিনহো এবং লুইস গুস্তাভো। এরই ফল হিসাবে গত নয় ম্যাচের সাতটিতে গোল হজম করতে হয়নি ব্রাজিলকে। নিজেদের কৌশল সম্পর্কে ব্রাজিলের সহ-অধিনায়ক লুইজ বলেন, ‘রক্ষণভাগ শক্তিশালী করায় আমরা ভালো ফল পাচ্ছি। গোল দেয়ার থেকে গোল না খাওয়ার প্রতি এখন আমাদের মনোযোগ বেশি। একারণে আমরা এখন এই ফরম্যাটেই খেলছি। আধুনিক ফুটবলে কোন দল শুধু রক্ষণভাগ কিংবা শুধু আক্রমণভাগ নিয়ে চিন্তা করলে ভুল করবে। আমাদের বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই উভয় জায়গায় খেলতে অভ্যস্ত। আমাদের দল এটি ভালোভাবেই রপ্ত করতে পেরেছে। অস্কার, নেইমারদের মতো স্ট্রাইকারও নতুন কৌশল বেশ ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছে। নতুন এই ফরম্যাটে তারাও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে বিপক্ষ দলকে গোল করা থেকে বিরত রাখা। আমরা যদি বিপক্ষ দলকে গোল করা থেকে বিরত রাখতে পারি তাহলে ম্যাচ জেতার জন্য একধাপ এগিয়ে যাবো।’ গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করা নেইমারও দলের কৌশলগত পরিবর্তনে বেশ উচ্ছ্বসিত। শক্তিশালী রক্ষণভাগ নির্ভর ফরম্যাট সম্পর্কে নেইমার বলেন, ‘এটা সত্যি আমরা খুব ভালোভাবেই এটা মানিয়ে নিতে পেরেছি। কনফেডারেশন কাপ থেকেই আমরা এই ফরম্যাটে খেলে আসছি। আমরা গোল করতে না পারলেও আমাদের খেলার ধরনে খুব একটা পরিবর্তন আনি না। এই ফরম্যাটে খেললে আক্রমণ করতেও আমাদের সুবিধা হয়।’