ফুলবাড়িতে সাঁকো নির্মাণে ত্রিশ গ্রামবাসীর যৌথ উদ্যোগ

সরকারের ওপর ভরসা করে নয়, এবার ৩০ গ্রামের গ্রামবাসী নিজের অর্থ, বাঁশ ও কাঠ অর্থ শ্রম দিয়ে নিজেদের দুর্ভোগ লাঘবে নিজেরা শুরু করেছে শাখা করতোয়া নদীর ঘিল্লাই সেতুর ওপর বাঁশ ও কাঠের সাঁকো তৈরির কাজ। দেশ স্বাধীনের পর থেকে প্রতিটি ছোট বড় যেই ভোট আসুক না কেন প্রার্থীরা এই সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেলেও এখনও কেউই তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় বাধ্য হয়েই গ্রামবাসীরা নিজ উদ্যোগে শুরু করেছেন সেতুর স্থানে সাঁকো তৈরির কাজ। দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ ও রংপুরের মিঠাপুকুরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া শাখা করতোয়া নদীর কারণে নবাবগঞ্জ উপজেলার ১৫ গ্রাম এবং মিঠাপুকুরের ২০ গ্রামের মানুষের যোগাযোগের সহজ মাধ্যম হচ্ছে নদী পারাপারের মাধ্যমে চলাচল করা। কিন্তু নদীতে সেতু নির্মাণ না হওয়ায় দুই পাড়ের মানুষকে যোগাযোগ রক্ষা করতে হচ্ছে নৌকা কিংবা কলার ভেলার ওপর। সাঁকো নির্মাণ কাজের অন্যতম উদ্যোক্তা আশরাফুল ইসলাম, সোহেল রানা, রবিউল ইসলাম ও জনাব আলী বলেন, দীর্ঘ ১০০মিটার দৈর্ঘ্য সাঁকো তৈরিতে হাত দিয়েছেন গ্রামবাসী। বর্ষার কারণে গ্রামবাসী স্বউদ্যোগে সাঁকোটির নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন। তবে বর্ষার আগেই এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে তারা আশাবাদী। নির্মাণ কাজ শেষ হলে নবাবগঞ্জের কুটিপাড়া, পাঠারগঞ্জ, সড়কপাড়া, খিয়ারপাড়া, কলমদারপুর, ভোটারপাড়া, ইটপাড়া, খামার, নারায়ণপুরসহ অন্তত ১৫ থেকে ২০ গ্রামের গ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে। দিনাজপুরের ফুলবাড়ি, বিরামপুর, হাকিমপুর ও নবাবগঞ্জের সাথে রংপুরের মিঠাপুকুরের সড়ক পথের যোগাযোগ ব্যবস্থা হবে। সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীসহ রোগীরা।