মানিকগঞ্জের কাঁচামরিচ বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে

মানিকগঞ্জের ঘিওরসহ বিভিন্ন উপজেলা কাঁচামরিচ বিদেশেও রপ্তানি করা হচ্ছে। এ মরিচের গুণাগুণের কারণে বিদেশেও চাহিদা ও সুনাম বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষি কর্মকর্তারা জানান, মরিচ চাষের জন্য বেলে-দোআঁঁশ মাটি উত্তম। এ কারণে জেলার শিবালয়, হরিরামপুর ও ঘিওর উপজেলায় মরিচের ব্যাপকভাবে চাষ হয়। গতবছর জেলায় ৩৩৫ হেক্টর জমিতে ৩৩৬ মেট্রিক টন মরিচ উত্পাদন হয়। চলতি বছর ৩৬৫ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ করা হয়েছে। ফলনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৮০ মেট্রিক টন। কৃষকরা জানালেন, ফেব্রুয়ারি মাস থেকে তারা চারা রোপণ করেন। দেড়মাস পর থেকে মরিচ তোলা শুরু হয়। স্থানীয়ভাবে এ মরিচকে বিন্দু মরিচ বলা হয়। এ মরিচের ঝাল সাধারণত একটু বেশি, স্বাদও ভালো। বরঙ্গাইল মরিচের হাট থেকে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ টন মরিচ বেচাকেনা হচ্ছে বলে জানালেন হাটের আড়তদার মো. খোকন মিয়া। বললেন, এর একটা বড় অংশ বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। তিনিও মালয়েশিয়া পাঠানোর জন্য তিন টন মরিচ কিনেছেন।