বাঘায় আনন্দ স্কুল নিয়ে বেদনার কাহিনী

বাঘায় ঝরে পড়া শিক্ষার্থী নিয়ে চালু হওয়া রক্স প্রকল্পের অধীন ১৫০টি আনন্দ স্কুলের মধ্যে চালু আছে মাত্র ২৩টি। এসব স্কুলে শিক্ষক আছে, মাসে মাসে বেতনও আসছে। নেই শুধু ছাত্র-ছাত্রী আর পড়াশোনা। সমপ্রতি আরো ৫০টি স্কুলের অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলছে। এসব স্কুলের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের জন্য ২৫০ টাকা এবং শিক্ষকদের জন্য তিন হাজার টাকাসহ প্রতিমাসে উত্তোলন করা হচ্ছে প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। এ সমস্ত টাকা কোন শিক্ষার্থী পায় না। স্থানীয় লোকজন জানান, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে গড়ে ওঠা এসব স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রথমে নামমাত্র কিছু টাকা দেয়া হলেও পরবর্তীতে সেটা বন্ধ হওয়ায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। জোতরাঘব স্কুলের শিক্ষক আসলাম হোসেন, চকরাজাপুরের ইতি রহমান ও আড়ানীর রুপালী হালদার জানান, একসময় শিক্ষার্থী ছিল। কিন্তু বর্তমানে গরমের কারণে উপস্থিতি কম হওয়ায় ক্লাস বন্ধ আছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ইয়াকুব আলী বলেন, সারাদেশে বিভিন্ন এনজিওর মাধ্যমে প্রায় ১০ হাজার নতুন স্কুলের অনুমোদন হতে যাচ্ছে। বাঘায় ৫০টি স্কুলের তালিকা করেছে সুরভী নামের একটি এনজিও। তিনি গরমের কারণে বর্তমানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম হচ্ছে বলে জানান।