মংলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক ভবনের সবকটিই ঝুঁকিপূর্ণ

মংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৯টি আবাসিক ভবনের কোনটিতেই দীর্ঘ ১৬ বছরেও তেমন কোন সংস্কার কাজ হয়নি। এ অবস্থায় চিকিত্সকসহ অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্যে নির্মিত সবকটি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। বনফুল নামে যে ভবনের দোতলায় আবাসিক চিকিত্সক ডা.আসাদুল্লাহ হিল গালিব ও তার স্ত্রী চিকিত্সক মাকসুদা খানম বসবাস করেন তার সিঁড়িঘরের ছাদের পলেস্তরা লোহার রডসহ সম্পূর্ণটাই সিঁড়ির উপর খসে পড়েছে। পুরো ভবনের ছাদসহ বাইরের বিভিন্ন অংশে বড় বড় ফাটল। গত ৬ মে একটি আবাসিক ভবনের সিঁড়িঘরের ছাদের পুরো পলেস্তরা খসে পড়ে। অল্পের জন্যে দুর্ঘটনা থেকে রেহাই পান ঐ ভবনে থাকা এক চিকিত্সক দম্পতি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। কমপ্লেক্সের অন্যান্য ৮টি ভবনেরও একই অবস্থা। প্রতিটি ভবনেরই সিঁড়িঘরের ছাদের পলেস্তরা খসে পড়া। ভবনের বাইরে-ভিতরে বড় বড় ফাটল। ৭টি ভবনের দোতলায় কেউ ভয়ে বসবাস করেন না। পার্শ্ববর্তী আরেকটি ভবনে বসবাসরত স্বাস্থ্যকেন্দ্রের আয়া সালেহা খাতুন বলেন, এ ভবনের বিভিন্ন অংশের পলেস্তরা মাঝে মাঝে খসে পড়ে। চতুর্দিকে অসংখ্য ফাটল। বৃষ্টি হলে পানি পড়ে। যে কোন মুহূর্তে ধসে পড়ার ঝুঁকি নিয়ে এখানে বসবাস করছি। ভারপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা তরুন কান্তি মণ্ডল ভবনের ঝুঁকির কথা স্বীকার করে বলেন, প্রতি ৬ মাস পর পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আমরা চিঠি দিয়ে জানিয়েছি। কিন্তু প্রতিকার পাচ্ছি না। দেখা যাক কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থা গ্রহণ করে। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাগেরহাট জেলার সহকারী প্রকৌশলী গনেশ চন্দ্র সিনহা বলেন, গত অর্থ বছরে এ ভবনগুলো সংস্কারের জন্যে আমরা বরাদ্দ চেয়েছিলাম। বরাদ্দ না পাওয়াতে আমরা কাজ করতে পারিনি।