পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের ২৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে আইসিবি
প্রকাশ : ২২ জুন ২০১৪, ২০:০৬
পুঁজিবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের প্রথম কিস্তির ৩’শ কোটি টাকার মধ্যে ২৩৯ কোটি টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দিয়েছে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজের মোট ৯ হাজার ৬ জন ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর জন্য এ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। অবশিষ্ট অর্থ দ্রুত বণ্টন সম্পন্ন করতে আজ বৈঠকে বসার কথা রয়েছে পুনঃঅর্থায়ন তহবিল বন্টন কমিটির। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
পুনঃঅর্থায়ন তহবিল থেকে ১৩টি মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকারেজ হাউজকে সাড়ে ২৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এখনও ৪৯ কোটি টাকা বণ্টন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টকে ৮৪.৯৮ কোটি টাকা, জনতা ক্যাপিটালকে ৪০.৭৮ কোটি টাকা, ফারইস্ট স্টক অ্যান্ড বন্ডকে ১৮.৭০ কোটি, আইআইডিএফসি সিকিউরিটিজকে ২০.১৫ কোটি, বিএসএমএল ইনভেস্টমেন্টকে ৮.০৪ কোটি, লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টকে ১০.৯০ কোটি, বাঙ্কো ফাইনান্সকে ২.৯৩ কোটি, আইআইডিএফসি ক্যাপিটালকে ৪.৭০ কোটি, গ্রীনল্যান্ড ইক্যুইটিকে ১.১১ কোটি, ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটিজকে ১৫.৯৯ কোটি, আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টকে ৭.৪১ কোটি, সাউথইস্ট ব্যাংক ক্যাপিটালকে ৭.৭৭ কোটি ও প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টকে ১৬.৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের অর্থ ছাড় পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৯টি মার্চেন্ট ব্যাংকের ৬ হাজার ৭২৫ জন ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী পেয়েছেন ১৮৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। আর চারটি ব্রোকারেজ হাউসের ২ হাজার ২৮১ জন ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারী পেয়েছেন ৫৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।
প্রসঙ্গত, সরকারি ঘোষণার প্রেক্ষিতে প্রায় দুই বছরেও ৯০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল বন্টন সম্পন্ন হয়নি। গত বছরের ২৭ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের প্রথম কিস্তি বাবদ ৩০০ কোটি টাকা আইসিবিকে দেয়। শর্ত ছিল প্রথম কিস্তির ৩০০ কোটি টাকা ব্যয় হলে পরে সমান দুই কিস্তিতে বাকি ৬০০ কোটি টাকা ছাড় দেয়া হবে। কিন্তু ঋণ বিতরণে কিছু কঠিন শর্তের কারণে মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার ডিলার প্রতিষ্ঠানগুলো ওই তহবিল থেকে ঋণ নিতে আগ্রহী হয়নি। পরে ঋণের শর্ত শিথিল করা হয়। এরপর ঋণ আবেদনের সময়ও বাড়ানো হয়। ফলে ঋণ বিতরণের কার্যক্রমে গতি পায়।