সরাইলে লঞ্চ জেটি ও পন্টুন স্থাপন নিয়ে উত্তেজনা
প্রকাশ : ২৩ জুন ২০১৪, ২১:১৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে লঞ্চ জেটি ও পন্টুন স্থাপনকে কেন্দ্র করে গ্রামের দু’পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। জানা যায়, প্রায় অর্ধশত বছর ধরে উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের দুবাজাইল গ্রামের মেঘনা নদীর উপর দিয়ে সিলেট, সুনামগঞ্জ, ছাতক, কলমাকন্দা, চামরা বন্দর, ইটনা, মিঠামইন, আজমিরিগঞ্জ, টোকের বাজার, দিরাই, নাসিরনগর, বাঙ্গালপাড়া, অষ্ট্রগাম, চাতলপাড় বাজার, বাজিতপুর, ভাগলপুর, কুলিয়ারচর, আশুগঞ্জ বন্দর ও ভৈরব বাজারের সাথে সহজ উপায়ে কম খরচে নৌপথে মালামাল পরিবহন করে থাকে এসব হাওর অঞ্চলের মানুষ। নদীপথে এ নৌ-পথ দিয়ে লঞ্চ, নৌকা চলাচলের সময় দুবাজাইল একতা বাজারের ঘাটে যাত্রা বিরতি করত। এগ্রামের হাজার হাজার লোকজনের সুবিধার্থে দুবাজাইল লঞ্চঘাট উন্নয়ন কমিটির দপ্তর সম্পাদক জালাল উদ্দিনগং চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ নৌ-আভ্যন্তরীণ এর অনুকূলে ১০ শতাংশ ভূমি দানস্বত্ব হিসেবে প্রদান করে যার দলিল নং-৮৩০। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (আশুগঞ্জ-সরাইল) সংসদ সদস্য এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা দুবাজাইল লঞ্চঘাট উন্নয়ন কমিটির আবেদনের প্রেক্ষিতে বর্তমান একতা বাজার লঞ্চঘাটে (পূর্বের ঘাটে) পন্টুন স্থাপনের জন্য বাংলাদেশ নৌ-আভ্যন্তরীণ কর্তৃপক্ষকে ডিও লেটার প্রদান করে। আর সেই ডিও লেটারের আলোকে বাংলাদেশ নৌ-আভ্যন্তরীণ কর্তৃপক্ষ একটি পন্টুন পাঠায়। অজ্ঞাত কারণে পন্টুনটি ফেরত যায়। এ সুযোগে গ্রামের একটি স্বার্থান্বেষী মহল একতা বাজার ঘাটে লঞ্চ জেটি ও পন্টুটি স্থাপন না করে অন্যত্র করার জন্য সংসদ সদস্যের নিকট থেকে আরেকটি ডিও লেটার নিয়ে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামের দু’পক্ষের মধ্যে সৃষ্টি হয় মতবিরোধ। অরুয়াইল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জানান, পূর্বের জেটি যেখানে ছিল সে জায়গায় নতুন জেটি ও পন্টুন স্থাপন করলে গ্রামে শান্তি ফিরে আসবে এবং বিরোধ স্থায়ীভাবে সমাধা হবে।