গঙ্গাচড়ায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দী
প্রকাশ : ২৪ জুন ২০১৪, ২২:১৪
উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও অবিরাম বর্ষণের ফলে তিস্তা নদীতে আকস্মিক পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানিবন্দী পরিবার অর্ধাহারে, অনাহারে রয়েছে। অনেকেই আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে, কেউ কেউ বন্যা আশ্রয়ে কেন্দ্রে, উঁচু রাস্তা কিংবা বাঁধের উপরে আশ্রয়ে নিয়েছে। গৃহপালিত পশু-পাখিসহ পানিবন্দী পরিবারগুলো জ্বালানি, পানীয়জল ও খাদ্য সংকটে রয়েছে। প্লাবিত গ্রামগুলো হল নেহালী ইউনিয়নের চর নোহালী, চর বাগডহরা, আলমবিদিতর ইউনিয়নের পাইকান হাজীপাড়া, ব্যাঙপাড়া, কোলকোন্দ ইউনিয়নের চর চিলাখাল, খলাইর চর, চর বিনবিনা, চর মটুকপুর, সাউদপাড়া, চর আলেকিশামত, গঙ্গাচড়া ইউনয়নের চর ধামুর, মাঝাপাড়া ও দোলা গান্না, লক্ষ্মিটারী ইউনিয়নের চর শংকরদহ, পশ্চিম ইচলী, পূর্ব ইচলী, কলাগাছি, মধ্য ইচলী, জয়রাম ওঝা, চর ইশ্বরকোল, চর মহিপুর, বুড়িডাঙ্গী, গজঘন্টা ইউনিয়নের চর ছালাপাক, কালীর চর, চররাজবল্লভ, মর্নেয়া ইউনিয়নের নিলারপাড়, চর মর্নেয়া, আলাল চর, রমাকান্ত, মহিষাশুর, চর মৌ-ভাষা, রামদেব, কামদেব ও ভাঙ্গাগড়া গ্রাম।
মর্নেয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাকীম বলেন, মঙ্গলবার সকাল থেকেই তিস্তা নদীতে বন্যা দেখা দেয়। এতে ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়। পানিবন্দী পরিবারগুলোর জন্য পর্যাপ্ত বন্যা আশ্রয়ণকেন্দ্র না থাকায় তারা পার্শ্ববর্তী উঁচু রাস্তা ও বাঁধের ধারে আশ্রয় নিয়েছে। এদের খাদ্য, জ্বালানি ও পানীয়জল সংকট দেখা দিয়েছে। কোলকোন্দ্র ইউপি চেয়ারম্যান মমিনুর ইসলাম বলেন, মঙ্গলবারের বন্যায় তিস্তার চরাঞ্চলে ইউনিয়নের প্রায় ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তিনি এসব পরিবারের জন্য সরকারিভাবে জরুরি শুকনো খাদ্য সরবরাহের দাবি জানান।