খালে বাঁধ দিয়ে মত্স্য চাষ ২ হাজার মানুষ পানিবন্দী

রামপালে গ্রামবাসীকে জিম্মি করে সরকারি রেকর্ডীয় খালে অবৈধ বাঁধ দিয়ে মত্স্য চাষ করায় শ্রীফলতলা গ্রামের প্রায় ২ হাজার মানুষ ও ৪শ বিঘা জমির ঘের মালিক জিম্মি হয়ে পড়েছেন। এ বর্ষা মৌসুমে ব্যাপক জলাবদ্ধতার শিকার হয়ে পড়ায় গ্রামবাসীর প্রতিকারের জন্য সরকারি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগে জানা গেছে- রামপাল উপজেলা সদর ইউনিয়নের বৃহত্তর শ্রীফলতলা গ্রামের ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ঘাটের খাল যা দেড়কুড়ার খাল ও বসির খালের সাথে সংযুক্ত রয়েছে। ওই খালের গোড়ায় শ্রীফলতলা গ্রামের কাজী আবুল হাসেমের পুত্র ঘের ব্যবসায়ী কাজী নূরুল ইসলাম খোকা দীর্ঘ ৭/৮ বছর ধরে অবৈধ ভাবে বাঁধ দিয়ে আটকে রেখে মত্স্য চাষ করে আসছে। এতে চলতি বর্ষা মৌসুমে ওই এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ওই খালের ও অন্যান্য খালের দুই পাশের মত্স্য চাষিরাও পড়েছেন চরম বিপাকে। তারা জানান, ঘাটের খালের গোড়ায় বাঁধ দিয়ে ৮/১০ বিঘা সরকারি খাল আটকে রেখেছে খোকা কাজী। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মত্স্য ঘের ব্যবসায়ী কাজী নূরুল ইসলাম খোকার কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি খালে বাঁধ দিয়ে আটকে রাখার কথা স্বীকার করে বলেন, আমিসহ আরো বহুলোকে সরকারি রেকর্ডীয় খাল আটকে রেখে মত্স্য চাষ করে আসছে। তিনি অবশ্য দাবি করেন- ওই খাল তিনি সরকারকে ট্যাক্স দিয়ে বৈধ ভাবে মত্স্য চাষ করেন।