সালথায় কুমার নদে বাঁধ দিয়ে পোনা মাছ ও ডিম নিধন
সালথা (ফরিদপুর) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৬ জুন ২০১৪, ২১:০৫
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত কুমার নদের বিভিন্ন স্থানে বাঁধ দিয়ে অবাধে নানা প্রজাতির পোনা মাছ ও ডিম নিধন করা হচ্ছে। যার ফলে ধ্বংস হচ্ছে নদের ছোট-বড় মাছ ও ডিম। উপজেলা মত্স্য অধিদফতরের কর্মকর্তারা প্রতিটি বাঁধ উচ্ছেদের জন্য বারবার বাঁধ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলেও কেউ তা মানছে না বলে জানা গেছে।
উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের পুরুরা সাধুপাড়া নামক স্থানে কুমার নদে ২টি, গট্টি ইউনিয়নের জয়ঝাঁপ বাজার সংলগ্ন কুমার নদে ৪টি ও মোড়হাট গ্রামের সামনে কুমার নদে ২টি বাঁধ দিয়ে অবাধে পোনা মাছ ও ডিম নিধন করে আসছে এলাকার প্রভাবশালীরা। শুধু চলতি বছর নয় এ প্রভাবশালী চক্র প্রতি বছর বর্ষার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নদ দখল করে পোনা মাছ ও ডিম নিধনে মেতে উঠে।
এব্যাপারে উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা রঞ্জিত কুমার বলেন, আমার পিয়ন দিয়ে চিঠির মাধ্যমে বাঁধ কর্তৃপক্ষকে বাঁধ উঠিয়ে ফেলতে বললেও তা তারা মানছে না। অতি ত্বরাণ্ন্নিত আমি নিজে গিয়ে এগুলো উচ্ছেদ করবো।
কলমাকান্দায় অবাধে মাছের পোনা নিধন
কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) সংবাদদাতা জানান, নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলায় অবাধে মাছের পোনা নিধন চলছে। উপজেলার সকল হাটবাজারে বোয়াল, কাতলা, রুই, মৃগেল ও অন্যান্য মাছের পোনা ব্যাপক হারে জেলেরা আহরণ করে বিনা বাধায় হাটবাজারে বিক্রয় করছে। মত্স্য শিকারী নারায়ান মাঝি জানান, উপজেলা মত্স্য অফিসের যোগসাজশে অর্থাত্ তাদের সঙ্গে দফা রফা করে মাঝিরা হাটবাজারে আইন অমান্য করে পোনা মাছ বিক্রয় করছে। এ জন্য মত্স্য অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাসিক মাসোহারা দিতে হয়। এছাড়া উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ লেংগুড়া, নাজিরপুর, গোবিন্দপুর, পাঁচগাঁও, সিধলী ও কলমাকান্দা সদরে অবাধে কারেন্ট জাল বিক্রয় হচ্ছে। মত্স্য বিভাগ এ ব্যাপারে কোন ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। উপজেলা মত্স্য অফিসের কর্মকর্তারা জানান, তারা বিভিন্ন হাটবাজারে নিষিদ্ধ পোনা মাছ বিক্রি করতে দেখেছেন। এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলে জানান।