পাঁচ বছরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা মাত্র একটি
প্রকাশ : ২৬ জুন ২০১৪, ২২:৪৮
বিগত পাঁচ বছরে কোনো পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে মো. আব্দুুল্লাহর টেবিলে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাঁচ বছরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া না গেলেও এ বছর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ঢাকার অধীন অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া যাওয়ায় বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা স্থগিত করে নতুন প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে পরবর্তীতে নতুন করে পরীক্ষা নেয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের এ ঘটনা তদন্তে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড একটি কমিটি গঠন করে। একইসঙ্গে উল্লেখিত বিষয়টি তদন্তের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও একটি কমিটি করে। যার তদন্ত কার্যক্রম চলমান আছে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ দুটি ঘটনায় ফরিদপুরে দায়েরকৃত দুটি মামলায় তিনজন হাজতে আছে, মামলাও চলমান।
আনোয়ারুল আজীমের এক প্রশ্নের জবাবে নূরুল ইসলাম নাহিদ সংসদকে জানান, বেসরকারি স্কুলের বেতন ও ভর্তি ফি প্রদানের জন্য সরকার নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটিয়ে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি’র চেয়ে অধিক ফি আদায় করলে তদন্তক্রমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। সোহরাব উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সরকারি ও সরকারিকরণের প্রক্রিয়াধীন বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৩৬৫টি। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ অনুসারে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৩০ কিন্তু বর্তমানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৪৬। আমাদের লক্ষ্য শিগগিরই নামিয়ে আনা।