যমুনার ভাঙ্গনে বাড়ি ও কৃষি জমি বিলীন

ক’দিনের টানাবর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে জামালপুরে যমুনার পানি বৃদ্ধি পেয়ে ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ইসলামপুর কুলকান্দি হার্ড পয়েন্ট থেকে শুরু করে গুঠাইল বাজার হার্ড পয়েন্ট পর্যন্ত রাক্ষসী যমুনার বাম তীর ভাঙ্গনে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। গত দু’দিনে ইসলামপুর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের ঘোনাপাড়া প্রায় ৩০টি পরিবারের বসতবাড়ি গাছ-পালা নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। বর্তমানে ভাঙ্গনে হুমকিতে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী গুঠাইল বাজার নৌ-বন্দর ও গুঠাইল হার্ড পয়েন্ট। কুলকান্দি হার্ড পয়েন্ট থেকে শুরু করে গুঠাইল বাজার হার্ড পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ঘূর্ণায়মান স্রোতের আবর্তে অব্যাহত ভাঙ্গনে বিলীন হচ্ছে শত শত একর ফসলী জমি গাছপালা ঘরবাড়ি। জামালপুরের পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ৩০জুন যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গন থেকে রক্ষার জন্য মোট ৪শ’ ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়ে ডাম্পিং কাজ শুরু করে। কিন্তু ইসলামপুর কুলকান্দি হার্ড পয়েন্ট থেকে গুঠাইলবাজার হার্ড পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার এলাকা পাউবো কোন কাজ হাতে নেয়নি। এভাবে ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে গুঠাইল নৌ-বন্দর, গুঠাইল হার্ড পয়েন্ট, গুঠাইল বাজার, গুঠাইল হাইস্কুল এন্ড কলেজ, গুঠাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,গুঠাইল মাদ্রাসা, মসজিদসহ অসংখ্য ঘরবাড়ি গাছ-পালা হাজার হাজার একর ফসলী জমি যমুনার নদীগর্ভে বিলীন হবে। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী নবকুমার জানান, ডাম্পিং কাজের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।