সাভারে মানব বর্জ্য থেকে ৮৪ ঘনফুট গ্যাস তৈরি হচ্ছে

সাভার হেমায়েতপুরের যাদুরচরে ভিন্ন প্রক্রিয়ায় ‘মানব বর্জ্য’ দিয়ে উত্পাদন করা হচ্ছে বায়োগ্যাস। লন্ডনপ্রবাসী সরকার তাসেক ১৯টি গরু-মহিষ নিয়ে একটি খামার গড়ে তোলেন। গরুর গোবর দিয়ে প্রথমে তিনি একটি বায়োগ্যাস প্লান্ট তৈরি করেন। সেই প্লান্ট থেকে ৩৫০ ঘনফুট গ্যাস উত্পাদন হচ্ছে। এ প্লানটির কাজ শেষ হওয়ার পরপরই তিনি মানব বর্জ্য দিয়ে তৈরি করেছেন আরো একটি ‘ফাইবার গ্লাস বেইজড বায়োগ্যাস প্লান’। সেখান থেকে দৈনিক ৮৪ ঘনফুট গ্যাস উত্পাদন হচ্ছে। এ বায়োগ্যাস দিয়ে রান্নাবান্নার কাজ ছাড়াও জেনারেটর চালিয়ে উত্পাদন করা হচ্ছে বিদ্যুত্। উত্পাদিত এ বিদ্যুত্ ব্যবহার করা হচ্ছে খামারের বিভিন্ন কাজে। শুধু তাই নয়, খামারের পাশের কয়েকটি বাড়িতে বায়োগ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। সরকার তাসেক জানান, বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট থেকে উত্পাদিত বিদ্যুত্ দিয়ে চলছে তাঁর খামারের বৈদ্যুতিক বাতি ও পানির মোটর। এছাড়া বাড়ির জ্বালানি সমস্যার সমাধানও হয়েছে এই বায়োগ্যাসের চুলা থেকে। তিনি নিজের বাড়ির প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি আশপাশের বাড়িতেও বিদ্যুত্ ও গ্যাস সংযোগ দিয়েছেন। আর গ্যাস উত্পাদনের পর পরিশিষ্ট বর্জ্য প্যাকেটজাত করছেন জৈবসার হিসেবে ব্যবহারের জন্য। তবে সবচেয়ে আশার কথা, এ গ্যাস দিয়ে গাড়িও চালানো যাবে। এ লক্ষ্যে সিএনজি স্টেশনে কাজ করছে পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা। বিষয়টি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে থাকলেও খুব শিগগিরই এর পূর্ণ বাস্তবায়ন সম্ভব বলে মনে করছেন আরডিএর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা।