অতিকায় এক পিঁপড়ে ঢুকেছে লোকালয়ে
হাতির সমানও হতে পারে তা—বন্য হাতি
পাখাও একখান লাগানো আছে তার পিঠে
জলহস্তীর বৈশিষ্ট্যেও সমুজ্জ্বল সে
জল-স্থল-অন্তরীক্ষে তার অবাধ বিচরণ
লোকালয় ভেঙে দলে দলে লোক ঢুকছে এ পাড়ায়
খবরটা কে চাউর করেছে তাকে ধন্যবাদ দিতে দিতে
ছুটছেন অশীতিপর বৃদ্ধ এবং বৃদ্ধারাও
পাড়ার বিশিষ্ট জনেরা বুদ্ধির চালে স্থাপন করছেন পরিপক্ক অভিমত
এখনও আশ্চর্য কিছু অবাক করতে করতে হাজির হয়
আনকোরা লোকালয়ে—পৃথিবীর এমন এক খেলা
বিশ্বাসের ভিত ভেঙে সোজা দাঁড়িয়ে যায় আলোর গতির সম্মুখে
সবাই তো এল—
আর কেউ বাকি নেই, আমলা অমাত্য রাজনীতিক ছাত্র জনতা
সবারই আরাধ্য অতিকায় পিঁপড়ে দেখে চোখ জুড়িয়ে নেয়,
নিবৃত্ত করে কৌতূহল
উত্তরে দক্ষিণে পুবে পশ্চিমে পড়ে গেছে সাড়া
বাজছে ডঙ্কা, কাড়া-নাকাড়া—এ যেন এক যুদ্ধ যুদ্ধ সাজ
এ পাড়ার জয়—আলেকজান্ডার, নেপোলিয়ন, ‘জোয়ান অব আর্ক’
সবাই এসে গেছে
তৈমুর লঙ, চেঙ্গিস খান, নাদির শাহ কেউই বাদ নেই
ধন্য এই লোকালয়
হঠাত্ ঠাঠা রোদ্দুর, উত্তপ্ত মরুভূমি, সুনামির সমুদ্রে আশার গুড়ে বালি
কোথায় সে উভচর অতিকায় পিঁপড়ে, সবকিছু ফাঁকা
ছোট্ট পিঁপড়ে হেঁটে যেতে যেতে বলছে কথা—
বোকা মানুষ তোমরা, এখনও বোকা—গুজবে কান দিয়ে এখনও খাচ্ছ ধোঁকা।
বাঁচাবে একজন শুধু তোমাদের,
আগের জনসমুদ্রে তুলেছেন যিনি তর্জনী
আরেক তিনিই হবেন তোমাদের নেতা
আমরা পিঁপড়েরাও এইটুকু ভালো জানি।