বিশেষজ্ঞদেরই ফরমালিন
বিষয়ে বক্তব্য দেয়া উচিত
প্রকাশ : ২৮ জুন ২০১৪, ২১:১৩
খাদ্যদ্রব্য ও ফলমূলে ফরমালিনের অপপ্রয়োগ সম্পর্কে গণমাধ্যমে একমাত্র সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদেরই বক্তব্য দেয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট রসায়নবিদরা। তারা বলেন, যারা এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নন, জনস্বার্থে তাদের এ সম্পর্কে বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকা উচিত। যে কেউ এ বিষয়ে বক্তব্য দিলে জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হতে পারে। বাংলাদেশ রসায়ন সমিতি আয়োজিত ‘ভোগ্যপণ্য ও রসায়ন’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে বক্তারা গতকাল এ মন্তব্য করেন। রাজধানীর বিসিআইসি মিলনায়তনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ রসায়ন সমিতির সভাপতি অধ্যাপক জসীম উদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিসিআইসি’র পরিচালক আবুল বাসার মিয়া। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক মো. আবুল খায়ের। সেমিনারে অতিথি ছিলেন শিল্প সচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্ ও বিসিআইসি’র চেয়ারম্যান মো. মুনসুর আলী সিকদার। বক্তারা বলেন, মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় সুষম সার ও পরিবেশবান্ধব কীটনাশক ব্যবহার করা জরুরি। অতিমাত্রায় রাসায়নিক সার ব্যবহার করলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়তে পারে। তারা সঠিক পদ্ধতিতে পরীক্ষা করে মৌসুমি ফল ও খাদ্যপণ্যে ফরমালিন ও কার্বাইডের মাত্রা নির্ধারণের তাগিদ দেন।
দেশের ক্রেতা-ভোক্তাদের ভবিষ্যত্ নিরাপত্তার লক্ষ্যে খাদ্যপণ্য ও ফলমূলে রসায়নের অপপ্রয়োগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন বলে তারা মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আল-নকীব চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তাজমেরি এস.এ. ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোঃ আবুল হাসেম, অধ্যাপক ড. মো. আমজাদ হোসেন আলোচনায় অংশ নেন। শিল্প সচিব বলেন, সঠিক মাত্রায় রসায়নের ব্যবহার পরিবেশ সুরক্ষা, গুণগত মানের শিল্পায়ন, খাদ্য নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধ জীবন নিশ্চিত করতে পারে। তিনি বলেন, পুরান ঢাকার কেমিক্যাল গুদাম সরিয়ে নিতে সরকার একটি কেমিক্যাল পল্লী স্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।