রাঙ্গামাটিতে প্রযুক্তি ভার্সিটি ও মেডিক্যাল স্থাপন নয় আদিবাসী নেতৃবৃন্দের দাবি

আপাতত রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও রাঙ্গামাটি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের সকল প্রকার কার্যক্রম স্থগিত রাখার দাবি জানিয়েছে আদিবাসী নেতারা। তারা বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনসহ সকল উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক পরিষদ, পার্বত্য জেলা পরিষদ ও প্রথাগত নেতৃত্বের সাথে আলোচনা ও পরামর্শ গ্রহণ করে তা করতে হবে। পাহাড়ি ছাত্র-ছাত্রী তথা পাহাড়ি জনগণ যাতে রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও রাঙ্গামাটি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের সুফল পেতে পারে সেজন্য এই দুইটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার পূর্বে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শনিবার রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনের আজিমুর রহমান করফারেন্স হলে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক কমিটি ও বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম চট্টগ্রাম শাখার আয়োজনে আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে কলামিস্ট ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি আদিবাসীরা অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ভাবে বিপর্যয়ের শিকার। এখন আবার নতুন করে শিক্ষার কথা বলে তাদের উপর উন্নয়ন চাপিয়ে দিয়ে বিপর্যয় ডেকে আনছে সরকার। তিনি অবিলম্বে সরকারের এই কার্যক্রম বন্ধ করার AvnŸvb জানান। ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য বলেন, এটা একটা সরকারের প্রতারণা মূলক উন্নয়ন প্রকল্প। কলামিস্ট আবু সাঈদ খান বলেন, আলোচনার মাধ্যমে শান্তি চুক্তির আলোকে তা বাস্তবায়ন করার কথা বলেন। সংসদ সদস্য উষাতন তালুকদার তার বক্তব্যে বলেন, পার্বত্য জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদ এবং স্থানীয় জুম্ম জনগণের মতামতকে পাশ কাটিয়ে আলাপ-আলোচনা না করে চুক্তির উল্টোপথে চলছে সরকার। আদিবাসী ফোরাম, চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি প্রকৃতি রঞ্জন চাকমার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক কমিটির সভাপতি গৌতম দেওয়ান। আরো বক্তব্য রাখেন, আদিবাসী ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক শক্তিপদ ত্রিপুরা, এএলআরডির পরিচালক রওশন জাহান মনি, বিসিএইচআরডির নির্বাহী পরিচালক মাহবুব, নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব তারেক আলী, হরেন্দ্র নাথ সিং প্রমুখ