রামগতিতে ৬ বছরেও চালু হয়নি আবহাওয়া অফিস

নির্মাণের ৬বছর পরও লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আবহাওয়া অফিসের কার্যক্রম এখনো চালু হয়নি। বর্তমানে আবহাওয়া অফিসের ভবনটি পরিণত হয়েছে বখাটে ও নেশাখোরদের আড্ডাখানায়। চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ। বর্তমানে এটি গোচারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে। অবশ্য কর্মকর্তারা বলছেন, অচিরেই এ আবহাওয়া অফিসটির কার্যক্রম চালু করা হবে। মেঘনা উপকূলীয় এ জেলায় বসবাস করছে প্রায় ১৮ লাখ মানুষ। এর মধ্যে ৬২ হাজার জেলে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মেঘনা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করছে। জেলেসহ উপকূলীয় অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য সরকার রামগতি উপজেলার চর সেকান্দরে ২০০৮-২০০৯ অর্থ বছরে দেড় একর ভূমির ওপর আবহাওয়া অধিদপ্তরের অভ্যন্তীরণ নৌ-চলাচল পূর্বাভাস এ কেন্দ্রটি নির্মাণ করেন। কিন্তু নির্মাণের ৬বছর অতিবাহিত হলেও এখনো শুরু হয়নি এর কার্যক্রম। স্থানীয় কয়েকজন জেলে জানান, আবহাওয়া অফিসটি চালু না হওয়ায় আমরা আকাশের দিকে তাকিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদীতে মাছ ধরতে যাই। গত বৈশাখে কাল বৈশাখী ঝড়ে স্থানীয় জেলেদের শতাধিক নৌকা ডুবে যায়। রামগতি পৌরসভার মেয়র শাহেদ আলী পটু জানান, পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে নির্মিত আবহাওয়া অফিসটি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এর কোন কার্যক্রম নেই। ফলে প্রতিদিন এখানে বসে জুয়ার আসর। তাই এই আবহাওয়া অফিসটি চালু করার জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানাই। লক্ষ্মীপুর জেলা ত্রাণ পুনর্বাসন কর্মকর্তা অরুনেন্দ্র কিশোর চক্রবর্তী জানান, আবহাওয়া অফিস ভবনটি অরক্ষিত ও পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার বিষয়টি আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।