রাজশাহীতে অটোরিকশা ও বাস চালকদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

সড়ক অবরোধ, ভাংচুর নগরীর গৌরহাঙ্গা এলাকায় বাস চালককে মারপিটের জের ধরে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক ও বাস চালকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার দুপুর ১২টার দিকের এই ঘটনার সময় বিক্ষুব্ধ বাস চালকরা সিএনজি স্ট্যান্ডে ভাংচুর চালায় এবং প্রায় আধা ঘন্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করে রাখে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুরে তানোর থেকে ছেড়ে আসা রশিদ এন্টারপ্রাইজের একটি বাস শিরোইলস্থ কেন্দ্রীয় টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিল। পথে গৌরহাঙ্গা শহীদ কামারুজ্জামান চত্বর এলাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশাকে সাইড দেয়া নিয়ে বাস চালক রুস্তমের সাথে অটোরিকশা চালক আশরাফের বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে অটোরিকশা চালক আশরাফ ঐ বাসচালককে মারপিট করেন। এ খবর বাস টার্মিনালে পৌঁছালে ৪০/৪৫ বাস শ্রমিক এসে রেলগেইট এলাকার সিএনজি স্ট্যান্ডে হামলা চালায়। এরআগেই বাস শ্রমিকদের আসার খবর পেয়ে সিএনজি চালকরা তাদের অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যান। এসময় উত্তেজিত বাস শ্রমিকরা সিএনজি স্ট্যান্ডে থাকা বেশকিছু টেবিল-চেয়ার ভাংচুর করে। একই সঙ্গে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। এতে প্রায় আধা ঘন্টাব্যাপী ব্যস্ততম সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এসময় মারপিটের অভিযোগে টগর নামের এক সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালককে পুলিশ আটক করে। এদিকে সিএনজি স্টেশনের চেইন মাস্টার সুমন বলেন, ভাংচুরের আশঙ্কায় গৌরহাঙ্গা সিএনজি চালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ড থেকে রাজশাহীর সকল উপজেলা রুটে আপাতত সিএনজি চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে চালকদের সঙ্গে আলোচনা করে পুনরায় সিএনজি চলাচল শুরু করা হবে। বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আব্দুস সোবহান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত আছে। ইতোমধ্যে মারপিটের জন্য অভিযুক্ত সিএনজি চালককে আটক করেছে পুলিশ।