দিল্লির উচিত খুব দ্রুত তিস্তা সই ও সীমান্ত প্রটোকল কার্যকর করা

দিল্লির উচিত বাংলাদেশের সঙ্গে খুব দ্রুত তিস্তা চুক্তি সই ও সীমান্ত প্রটোকল কার্যকর করা। ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির জন্য এই চুক্তি না হওয়ায় বাংলাদেশের জন্য সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। ভারতের কূটনীতিক পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী এ মন্তব্য করেন। তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাই কমিশনার। সমপ্রতি তামিলনাডুর ওয়েলিংটনে ডিফেন্স সার্ভিস স্টাফ কলেজে অনুষ্ঠিত ‘প্রতিবেশীদের ক্ষেত্রে ভারতের পররাষ্ট্রনীতি: পূর্বমুখী কূটনীতি এবং ভারত-চীন সম্পর্ক’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এক বক্তব্যে পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী এসব কথা বলেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। তিনি দুই দেশের মধ্যে সড়কপথ ও রেলপথে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সীমান্তে বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য অবকাঠামো নির্মাণের ওপরও জোর দেন। সাবেক হাই কমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী বাংলাদেশে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, শেখ হাসিনা ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক সৃষ্টিতে অসাধারণ বিচারবুদ্ধির পরিচয় দিয়েছেন। যার ফল অর্থনীতি, শিল্প এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ফলেই ভারতের সঙ্গে এই সম্পর্কের গভীরতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। এই কূটনীতিক আরো বলেন, সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। বাংলাদেশ উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পিনাক রঞ্জন বলেন, বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষ এবং ইসলামপন্থিদের মধ্যে একটা আদর্শিক উত্তেজনা আছে। দেশটির মানুষ মনে করে, ভারত তাদের সঙ্গে বড় ভাইয়ের মতো আচরণ করে। কারণ ভারত তার অঙ্গীকার রক্ষা করতে পারেনি এবং এটা করা সম্ভব না হলে মানুষের মন থেকে এই ধারণা যাবে না। অনুষ্ঠানে তিনি জানান, চীনের একটি কোম্পানি দেশটির বৃহত্তম সেতু পদ্মা নির্মাণের কাজ পেয়েছে। এটা আশ্চর্যের কিছু নয়।