মঠবাড়িয়ায় ১৭টি দোকান ভস্মীভূত
মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৯ জুন ২০১৪, ২১:৩৯
মঠবাড়িয়া পৌরশহরের সদর রোড ও ফার্মেসী রোডে গত শনিবার গভীর রাতে ১৭টি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান।
স্থানীয় লোকজন ও মঠবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা, স্থানীয় থানার পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় প্রায় ৩ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে সদর রোডের নূর হোসেনের মুদি দোকান, ভাই ভাই হার্ডওয়্যার, আশা ফটোস্ট্যাট, নাছির ফল ভান্ডার, মদন সাহা, ইউসুফ, গোবিন্দ ও দিলীপ পোদ্দারের মুদি দোকান এবং ফার্মেসী রোডের মঠবাড়িয়া লাইব্রেরি, শাকিল স্যু স্টোর, ন্যাশনাল লাইব্রেরি, ফরিদ স্টেশনারী, হাবিব ও রিয়াজ ইলেকট্রনিক্স, ইদ্রিসের মুদি দোকান ও দুলালের সেলুন সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ইউসুফ জানান, রমজান ও ঈদে কেনাবেচার জন্য ৩/৪দিন আগে বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে গুঁড়োদুধ, ট্যাংক, জুস্, সেমাই, বুটসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল তুলেছিলাম। তার দোকানে থাকা প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।
ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী হাবিব বলেন, টিভি, ফ্যানসহ প্রায় বিশ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আহসান হাবিব ও থানার ওসি মো. নাছিরউদ্দিন মল্লিক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। গতকাল রবিবার দুপুরে পিরোজপুর জেলা প্রশাসক এ কে এম শামীমুল হক ছিদ্দিকী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে নগদ ৫ হাজার টাকা ও ৩০ কেজি চাল বিতরণ করেন।
ডিমলায় ১৮টি বাড়ি ভস্মীভূত
ডিমলা (নীলফামারী) সংবাদদাতা জানান, ডিমলা উপজেলার ছাতনাই পাড়ায় গত শনিবার রাতে ৮ কৃষক পরিবারের ১৮টি ঘর পুড়ে গেছে। ঘরে রক্ষিত আসবাসপত্র ও সাড়ে ৩শ’ মণ ধান, নগদ ৬৫ হাজার টাকা, ১২টি গরু ও ৩০টি ছাগল এবং ২ শতাধিক হাঁস-মুরগি মারা গেছে।
অগ্নিদগ্ধে লুত্ফর রহমান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে আহত হয়ে ডিমলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এতে রহিমা বেওয়া, আব্দুল রহিম, দুলু মিয়া, বকুল মিয়া, তবিবুল ইসলাম, খোকন মিয়া ও লুত্ফর রহমানের ১৮টি টিনের ঘর ভস্মীভূত হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে রয়েছে। পূর্বছাতনাই ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি রহস্যজনক। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ লাখ টাকা। ডিমলা ইউএনও আশরাফুজ্জামান জানান, রবিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত আট পরিবারকে নগদ ৮ হাজার টাকা ও ২৪০ কেজি চাল প্রদান করা হয়েছে।