সুইস ব্যাংকে টাকা পাচার
আন্তর্জাতিক তদন্ত দাবি করলেন মির্জা ফখরুল
প্রকাশ : ২৯ জুন ২০১৪, ২২:৪০
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, সুইসব্যাংকে যারা টাকা পাচার করেছেন, তারা সবাই আওয়ামী লীগের। তারা নিজেরা তদন্ত করলে টাকার মূল মালিক কে, দেশের জনগণ তা জানতে পারবে না। তাই পাচারকারীদের প্রকৃত তালিকা প্রকাশের জন্য তিনি আন্তর্জাতিক তদন্ত দাবি করেন। বিএনপি নেতা চৌধুরী আলম অপহরণের চার বছর উপলক্ষে তাকে ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে গতকাল রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ দাবি জানান।
গতকাল সংসদে পাস হওয়া ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেট সম্পর্কে ফখরুল বলেন, এ বাজেট লুটপাটের বাজেট। এ সরকার ব্যাংকগুলো এমনভাবে লুট করছে যে, ব্যাংকগুলো এখন দেউলিয়া প্রায়। ব্যাংকের টাকা লুট করে তারা বিভিন্ন দেশে বাড়িঘর করেছেন। তারাই আবার প্রশ্ন করেন সুইসব্যাংকে টাকা কার।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগ এখন জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন। বিএনপি আন্দোলন করলে তারা ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। চৌধুরী আলমকে সুস্থ ফেরত দেয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, র্যাব তাকে গুম করেছে। সরকার খুন, গুম করে রাজনীতিকে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছে। বাংলাদেশে গুমের রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। চৌধুরী আলম গুম হওয়ার পর তার পরিবারের সদস্যরা ব্যাংক থেকে টাকাও তুলতে পারছেন না। টাকার অভাবে তাদের কষ্ট হচ্ছে।
শাহবাগ থানা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল আহসান তালুকদার ননীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুস সালাম প্রমুখ।
সরকার সংলাপ চায় না: রফিকুল
এদিকে গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী নাগরিক দল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেছেন, এ সরকার স্বৈরাচারি। তারা সংলাপ চায় না। দেশে গণতন্ত্র নেই। মিছিল-মিটিংও করতে দেয়া হয় না। বিএনপির হাজার হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। সুইসব্যাংকে টাকা পাচারকারীদের খুঁজে বের করতে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানান।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শাহজাদা সৈয়দ মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ প্রমুখ।