দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত লক্ষ্মীছড়ির সাঁওতালরা
মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ৩০ জুন ২০১৪, ২১:৩০
বিংশ শতাব্দির ১৯২৫ সাল ভারতের আসাম ও মিয়ানমারের আরাকান থেকে পার্বত্য খাগড়াছড়ির দুর্গম জনপদ লক্ষ্মীছড়িতে সাঁওতালদের আগমন। সে থেকে এ গ্রামের নামকরণ সাঁওতাল পল্লী। বর্তমানে ৫০টি পরিবারে দু’শতাধিক সাঁওতালের বসবাস। তবে দীর্ঘ সময়েও এ পল্লীর কোন সন্তান সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারেনি! শুধু তাই নয়, তারা সুচিকিত্সা, অপুষ্টি এবং অভাব-অনটনে জর্জরিত হয়ে প্রতিনিয়ত পিছিয়ে পড়ছে সর্বক্ষেত্রে!
স্থানীয় ইউপি সদস্য বন কুমার চাকমা জানান, বর্তমানে এ গ্রামে লোকসংখ্যা ২০৭ জন। গ্রামের নারীরা স্বাস্থ্য সম্পর্কে তেমন সচেতন নন। শিশুদের টিকা ও গর্ভবতী মায়েদের চিকিত্সার ব্যাপারে তারা একেবারেই অজ্ঞ। গ্রামে কোন পরিবার পরিকল্পনা কর্মী না আসায় তারা স্ব-উদ্যোগে চিকিত্সা নিতে যায় না। সম্প্রতি এ গ্রামে নারীদের ভাগ্যোন্নয়নে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে বেসরকারি (স্বেচ্ছাসেবী) উন্নয়ন সংস্থা পহ্র ফুদোক ক্লাব। তাঁরা মডেল ভিলেজ প্রজেক্ট-৩য় পর্যায়ে এ গ্রামে ‘শাক-সবজি, ছাগল, হাঁস-মুরগি পালন ও স্যানিটেশন কর্মসূচিতে এককালীন সহায়তা বাবদ ৫০টি পরিবারকে ১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছে।
ক্লাবের সভাপতি প্রবীল চাকমা জানান, এ সাঁওতাল পল্লীটি অনেক প্রাচীন হওয়া সত্ত্বেও উন্নয়ন নেই। ফলে আমরা সাধ্যমতো ওঁদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করছি মাত্র। গ্রামের নারীরা শ্রম দিতে মাঠে থাকায় তাঁদের সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।