মতলবে সাব-স্টেশনের নির্মাণ কাজে স্থবিরতা
মতলব দক্ষিণ (চাঁদপুর) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ৩০ জুন ২০১৪, ২১:৩০
মতলব দক্ষিণ উপজেলার বিদ্যুতায়নের সাব-স্টেশনের কাজ চলছে ধীর গতিতে। যার ফলে নির্ধারিত সময়ে শেষ হচ্ছে না এ সাব-স্টেশনের নির্মাণ কাজ। এতে পল্লী বিদ্যুত্ গ্রাহকের দুর্ভোগ দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
পল্লী বিদ্যুত্ অফিস সূত্রে জানা যায়, মতলব দক্ষিণ উপজেলার নাগদা গ্রামে ৩৩/১১ কেভি ১০ এমভিএ বিদ্যুত্ উপকেন্দ্রটি প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে। গত জুলাই ১৩ইং মাসে শুরু হয়ে ফেব্রুয়ারি ১৪ইং-এর মধ্যে সাব-স্টেশনের অবকাঠামোর কাজ সমাপ্ত করে এপ্রিল মাসে বিদ্যুত্ কর্তৃপক্ষ সাব-স্টেশন চালু করার আশা প্রকাশ করলেও অবকাঠামোর কাজ এখনো সমাপ্ত হয়নি। ফলে আরো ৬ মাস পিছিয়ে পড়েছে এ সাব-স্টেশনের কাজের অগ্রগতি। এক্ষেত্রে বিদ্যুত্ কর্তৃপক্ষ দায়ী করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতাকে।
পল্লী বিদ্যুত্ অফিস সূত্রে আরো জানা যায়, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাথী এন্টারপ্রাইজ, প্রোঃ মো. জাহিদ আহমেদ টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাব-স্টেশন নির্মাণ কাজ পাওয়ার পর সাব-ঠিকাদার হিসেবে কুমিল্লার সুমন এন্টারপ্রাইজ, প্রোঃ সোহেলকে সাব-স্টেশন নির্মাণ করার কাজ করতে দেয়া হয়। প্রায় ২ কোটি ৫০ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে মতলব দক্ষিণ উপজেলার এ সাব-স্টেশনটি। ড্রাম দিয়ে আর্থ ফিলিং করে সেখানে বালি ও মাটি দিয়ে ভরাট করার ৮০ ভাগ কাজ এগিয়ে আছে। এর মধ্যে প্যালাসাইটেড কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ৬ মাসের মধ্যে কাজ সমাপ্ত করার জন্য বলা হলেও গত ১১ মাসেও এ কাজ সমাপ্ত হয়নি। ফলে মতলবের খাদেরগাঁও ইউনিয়নের পশ্চিম নাগদা গ্রামে দীর্ঘ ১৫ বছরের প্রচেষ্টায় বহুল প্রতীক্ষিত এই সাব-স্টেশনের স্থাপন বিলম্বিত হচ্ছে।
পল্লী বিদ্যুতের প্রকল্প বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. মফিজুল ইসলাম জানান, বর্ষা মৌসুমে পানি থাকার কারণে বালি ও মাটি ভরাট করতে অসুবিধার জন্য সাব-স্টেশনের কাজটি বিলম্বিত হচ্ছে।
পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সাব-স্টেশনের প্রথম ঠিকাদারের মৃত্যুজনিত কারণে অন্য ঠিকাদারদের কাজ ভাগ করে দেয়া এবং নাল জমিতে বালি ভরাটের সময় ট্রলি ঢুকতে প্রতিবন্ধকতায় এ সাব-স্টেশনের কাজ বিলম্বিত হয়েছে।