আজও স্বীকৃতি পাননি মুক্তিযোদ্ধা মকতু মিয়া

মুক্তিযুদ্ধে জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করলেও দীর্ঘদিনেও তাঁর ভাগ্যে জোটেনি একটি সনদ। গেজেটে নাম না থাকায় তাঁর ভাগ্যে জোটেনি ভাতাসহ সরকারি অন্য সুযোগ-সুবিধা। আয় না থাকায় স্ত্রী-সন্তানরা তাঁকে ছেড়ে চলে গেছেন। এখন দু’বেলা খাবারের জন্য শেষ বয়সে এসে ভিক্ষা করে চলতে হয় এই বীরসেনাকে। জাতীর এই শ্রেষ্ঠ সন্তানের নাম মকতু মিয়া। থাকেন পঞ্চগড় জেলা সদরের অমরখানা ইউনিয়নের মহারাজার দিঘী পাড়ের সরকারি জমিতে। ১৯৭১ সালে ৩৫ বছর বয়সে ৬ নং সেক্টরের সাব-সেক্টর ৬-এর ৩/এ মধুপাড়া কোম্পানির কোম্পানি কমান্ডার এ কে এম মাহবুব-উল আলমের সঙ্গে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। মকতু মিয়া জানান, গতবছর সাবেক কোম্পানি কমান্ডার মাহবুব আলম আমাকে কিছু সাহায্য দিয়েছিলেন। মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর থেকে তিনি একটি সনদও দিয়েছেন। মকতু মিয়া আক্ষেপ করে বলেন, একাত্তরে মুক্তিসেনাদের দুর্গম পথের গাইড হিসেবে কাজ করেছে। কিন্তু জীবনের শেষ সময়ে তাকে দেখার কেউ নেই।