মার্কিন রাষ্ট্রদূতের জাগো ফাউন্ডেশনের স্কুল পরিদর্শন

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা বলেছেন, কোন জাতিই প্রচেষ্টা ছাড়া বড় হয় না। যখন কোন দেশের মানুষ একে অপরের সহায়তায় এগিয়ে আসে, সেই জাতির মহত্ত্ব্বের সূচনা সেখানেই। জাগো ফাউন্ডেশনের কাজের মাঝে সেই প্রচেষ্টা দেখেছি। আমি আশা করি এই আদর্শ, মানুষের জন্য কাজ করার প্রচেষ্টা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে। গতকাল সোমবার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা জাগো ফাউন্ডেশনের রায়ের বাজার স্কুলে দুইটি নতুন ক্লাসরুমের উদ্বোধনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রদূত স্কুলটির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং স্কুলটির প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কিছু সময় কাটান। পরে তিনি অন্যান্য ক্লাস পরিদর্শন করেন এবং অনলাইন স্কুলের আধুনিক সুবিধাদির প্রশংসা করেন। বিশেষত ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির মাধ্যমে পশ্চাত্পদ এলাকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের দূরশিক্ষণের ধারণা তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এছাড়াও রাষ্ট্রদূত মজীনা জাগোর স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন ‘ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ’-এর স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য ‘ভলান্টিয়ার জোন’ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার সুবিধাবঞ্চিত নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির জন্য গড়ে তোলা একটি সেলাই কেন্দ্র উদ্বোধন করেন। ড্যান মজীনার সহধর্মিণী গ্রেস মজীনাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ, ফরচুনা গ্রুপের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আবু তাহের, জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ‘ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ’-এর সভাপতি করভী রাকশান্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, জাগো ফাউন্ডেশন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং সামাজিক সংহতি ত্বরান্বিত করে চলেছে। জাগো ফাউন্ডেশনই প্রথম পিছিয়ে পড়া শিশুদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষার ব্যবস্থা করে এবং একই সঙ্গে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বিভিন্ন পরিপূরক উন্নয়ন প্রকল্প চালু করে।