প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার বিজ্ঞান এবং হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা

ইন্টারনেটের মাধ্যমে রোগীদের সেবা দেওয়ার পদ্ধতিকে বলে- বিজ্ঞান এ.এইচ.এম.সায়েদুজ্জামান সহকারী শিক্ষক (গণিত ও বিজ্ঞান) উইল্স লিট্ল ফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজে অধ্যায়টির খুঁটিনাটি পড়বে তাহলে প্রত্যেকটির উত্তর দিতে পারবে। তারপরও কোন সমস্যা দেখা দিলে আগামীকাল আমাদের দেয়া জানার কর্নারের সঙ্গে মিলিয়ে নেবে তোমার জানা অজানার মাত্রাকে। অধ্যায়-১০ ৮. ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা তথ্য পেতে পারি- ক) আমার কী রোগ হয়েছে খ) বাংলাদেশের আবহাওয়া কীরূপ গ) আমি প্রাথমিক পরীক্ষায় কী ফলাফল করব ঘ) আমার কম্পিউটারটি কতদিন চলবে ৯. ইন্টারটের মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন তথ্য পেতে পারি। তথ্যগুলো অনসুন্ধান করতে বিভিন্ন ধরনের software ব্যবহার করা হয়। আমরা তথ্য অনুসন্ধান করতে পারি যে software এর মাধ্যমে- ক) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার খ) সিস্টেম সফটওয়্যার গ) ব্রাউজিং সফটওয়্যার ঘ) প্রোগ্রামিং ১০.ইন্টারনেটের মাধ্যমে রোগীদের সেবা দেওয়ার পদ্ধতিকে বলে- ক) টেলিমেডিসিন খ) ই-মেইল গ) ইনপুট ঘ) ই-কমার্স ১১.মাটির নিচে মজুদ খনিজ সম্পদের তথ্য কীভাবে নেওয়া হয়? ক) আলোর তরঙ্গ পাঠিয়ে খ) বিদ্যুত্ তরঙ্গ পাঠিয়ে গ) শব্দ তরঙ্গ পাঠিয়ে ঘ) চৌম্বক তরঙ্গ পাঠিয়ে ১২. আমাদের দেহে কোন অঙ্গ বিভিন্ন অংশের মধ্যে সংযোগ সৃষ্টি করে? ক) হাত খ) চোখ গ) পরিপাকতন্ত্র ঘ) স্নায়ুতন্ত্র ১৩.মাউস ক্লিক বলতে কী বোঝায়? ক) মাউসের বোতাম চাপা খ) মাউসের বাম বোতাম চাপা গ) মাউসের ডান বোতাম চাপা ঘ) মাউস ঘুরানো ১৪. ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রথম কাজ কী? ক) তথ্য বাছাই খ) তথ্য সংরক্ষণ গ) তথ্য অনুসন্ধান ঘ) তথ্য প্রক্রিয়া গত সোমবার প্রকাশিত বিজ্ঞান বিষয়ের বহুনির্বাচনী প্রশ্নের সবগুলো উত্তর তোমাদের জানার মধ্যে ছিল কী না মিলিয়ে দেখো। উত্তরঃ ১.খ) তথ্য ২.ঘ) তথ্য বিপ্লব ৩.গ) একটি পুরো দালান ৪.খ) ভাল্ব কম্পিউটার ৫.ঘ) একটি বইয়ের সমান ৬.ঘ) উপরের সবগুলো ৭.গ)সমগ্র বিশ্ব তথ্য আদান-প্রদানে মাধ্যমে সংযুক্ত ব্রাহ্মণ সারাদিন কীভাবে সময় কাটাতেন? হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বিউটি রায়, সহকারি শিক্ষিক মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মোহাম্মদপুর আগামীকাল আমাদের দেয়া জানার কর্নারের সঙ্গে মিলিয়ে নেবে তোমার জানা অজানার মাত্রাকে। সময় ঃ ২ ঘন্টা ৩০ মিনিট পূর্ণমান : ১০০ [ দ্রষ্টব্যঃ ডান পাশে উল্লেখিত সংখ্যা প্রশ্নের পূর্ণমান জ্ঞাপক] ১। সঠিক উত্তরটি উত্তরপত্রে লেখঃ ১–৪০ = ৪০ (১) জীবের মধ্যে অবস্থানকারী ঈশ্বরকে কি বলে? ক) মন খ) দেবদেবী গ) আত্মা ঘ) ব্রহ্ম (২) সমুদ্র থেকে কি উঠল? ক) অমৃত খ) মৃত গ) পাতালপরী ঘ) মত্স্যকন্যা (৩) কোন যুগে রাক্ষসরাজ রাবণ খুব শক্তিশালী হয়ে ওঠেন? ক) দ্বাপর খ) ত্রেতা গ) আধুনিক ঘ) কলি (৪) একাগ্রচিত্তে ঈশ্বরের চিন্তা করার নাম কি? ক) ধ্যান খ) জগ গ) স্তব ঘ) উপাসনা (৫) নিত্যকর্ম কত প্রকার? ক) তিন খ) চার গ) পাঁচ ঘ) ছয় (৬) দেবতাদের রাজার নাম কি? ক) মহেন্দ্র খ) যোগেন্দ্র গ) ইন্দ্র ঘ) পরমান্দ (৭) বিনোদের পরিচয় হয় কী হিসেবে? ক) সন্ন্যাসী খ) তাপসী ব্রহ্মচারী গ) অবতার ঘ) মানব সেবক (৮) ব্রাহ্মণ সারাদিন কীভাবে সময় কাটাতেন? ক) কীর্তন করে খ) পূজা করে গ) জমিচাষ করে ঘ) বিদ্যাচর্চা ও ধর্ম সাধনা করে। (৯) ভারতকে ভগিনী নিবেদিতা কি রূপে গ্রহণ করেছিলেন? ক) ধাত্রী দেবতা খ) মাতৃদেবী গ) পিতৃদেবতা ঘ) ভ্রাতৃদেবতা (১০) কোন কাজটি দ্বারা ঈশ্বর বেশি সন্তুষ্ট হন বলে তুমি মনে কর? ক) দীর্ঘ সময় ধরে ধ্যান করা খ) ক্ষুধার্ত মানুষকে খাবার দেওয়া গ) বৃক্ষরোপণ করা ঘ) ধর্মগ্রন্থ বেদ পড়া (১১) রাজা মত্স্যরূপী ভগবান কার নির্দেশমতো কাজ করলেন? ক) শ্রীবিষ্ণুর খ) ব্রহ্মার গ) শিবের ঘ) মহেশ্বরের (১২) অবন্তি প্রতিদিন পড়াশুনার ফাঁকে ঈশ্বরের নাম সংকীর্তন করে। এতে তার— ক) মন ভালো থাকবে খ) আত্মা বড় হবে গ) পায়ের ব্যথা কমবে ঘ) অর্থ লাভ হবে। (১৩) উপাসনার একটি অঙ্গ কোনটি? ক) পূজা খ) পার্বণ গ) অনুষ্ঠান ঘ) প্রার্থনা (১৪) বিষ্ণুভক্ত ছিলেন— ক) হিরণ্যাক্ষ খ) প্রহ্লাদ গ) হিরণ্যাকশিপু ঘ) অনন্ত (১৫) শ্রীবিষ্ণু বলরাম রূপে অবতীর্ণ হন— ক) দ্বাপর যুগে খ) কলি যুগে গ) সত্য যুগে ঘ) ত্রেতা যুগে (১৬) ‘আমরা দুর্ভিক্ষে আক্রান্ত হয়েছি, অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটাচ্ছি’- কে বলেছিলেন? ক) দরিদ্র ব্রাহ্মণ খ) ব্রাহ্মণপত্নী গ) আরেক দরিদ্র ব্রাহ্মণ ঘ) ধর্মদেব (১৭) ধ্যানের জন্য বেশি প্রয়োজন— ক) ধন সম্পদ অর্জন খ) বিখ্যাত হওয়া গ) সম্পূর্ণ ভালো হওয়া ঘ) দায়িত্বমুক্ত হওয়া (১৮) একসঙ্গে অনেকে বসে উপাসনা করাকে কী বলে? ক) সাকার উপাসনা খ) নিরাকার উপাসনা গ) সমবেত উপাসনা ঘ) বৈষ্ণব উপাসনা (১৯) অতিথি ব্রাহ্মণের খুশি হওয়ার একমাত্র কারণ কী ছিল? ক) অতিথি সেবা খ) জীবসেবা গ) আদর আপ্যায়ন ঘ) ধর্মপালন (২০) হিরণ্যক শিপু কেমন ছিলেন? ক) ধার্মিক খ) ধর্মভীরু গ) ঈশ্বর ভক্ত ঘ) বিষ্ণু বিরোধী (২১) পূর্ণতা প্রতিদিন কার নাম নিয়ে সকল কাজ আরম্ভ করবে? ক) গুরু খ) ঈশ্বর গ) দীননাথ ঘ) প্রভু (২২) শ্রীকৃষ্ণের উপদেশমূলক গ্রন্থ কোনটি? ক) বেদ খ) পুরাণ গ) উপনিষদ ঘ) শ্রীমদভগবত্ গীতা (২৩) নিবেদিতার শিক্ষাপদ্ধতি কেমন ছিল? ক) জটিল খ) চিত্তাকর্ষক গ) আবেগপূর্ণ ঘ) গতিহীন (২৪) ধ্রুব তোমার তপস্যায় আমি মুগ্ধ হয়েছি— এখানে কার মুগ্ধ হওয়ার কথা বলা হয়েছে? ক) শিব খ) শ্রীহরি গ) শ্রীবিষ্ণু ঘ) শ্রীকৃষ্ণ (২৫) ভগিনী নিবেদিতার আদর্শ কাজে লাগিয়ে আমরা কী করব? ক) মানব সেবা খ) সামাজিক বিশৃঙ্খলা গ) অতিথি সেবা ঘ) দরিদ্রদের অবহেলা (২৬) ব্রাহ্মণ কীভাবে সংসার চালাতেন? ক) পূজা করে খ) কীর্তন করে গ) উঞ্ছবৃত্তি করে ঘ) ধর্ম কথা শুনিয়ে (২৭) বিষ্ণুর অবতার কয়টি? ক) আটটি খ) নয়টি গ) দশটি ঘ) এগারোটি (২৮) পরশু শব্দের অর্থ কী? ক) লাঙল খ) খড়গ গ) চক্র ঘ) কুঠার (২৯) উপাসনা কিসের অঙ্গ? ক) মনের খ) দেহের গ) ধর্মের ঘ) কর্মের (৩০) হিন্দু ধর্মের মূল লক্ষ্য কী? ক) ভোগ খ) ত্যাগ গ) স্বর্গ লাভ ঘ) মোক্ষ লাভ (৩১) বেদ কয়খানা? ক) তিন খ) চার গ) পাঁচ ঘ) ছয় (৩২) ভগিনী নিবেদিতার জন্মস্থান কোথায়? ক) স্কটল্যান্ডে খ) আয়ারল্যান্ডে গ) লন্ডনে ঘ) সুইজারল্যান্ডে (৩৩) অতিথি ব্রাহ্মণ রূপে কে এসেছিলেন? ক) ধর্মদেব খ) বিষ্ণু গ) শিব ঘ) ইন্দ্র (৩৪) ঈশ্বরের সাকার রূপ কী? ক) ভগবান খ) দেব-দেবী গ) গ্রহ ঘ) নক্ষত্র (৩৫) উপাসনা একটি— ক) সাপ্তাহিক কর্ম খ) পাক্ষিক কর্ম গ) মাসিক কর্ম ঘ) নিত্যকর্ম (৩৬) আত্মার নতুন দেহ ধারণ করাকে কী বলে? ক) জন্মান্তর খ) নবজন্ম গ) ইহজন্ম ঘ) পরজন্ম (৩৭) রাত্রিকৃত্যে কী বলে ঘুমাতে যেতে হয়? ক) জগদীশ্বর খ) নারায়ণ গ) বিষ্ণু ঘ) পদ্মনাভ (৩৮) বেদের যে অংশে মন্ত্রের ব্যাখ্যা করা হয়েছে তাকে কী বলে? ক) ব্রাহ্মণ খ) উপনিষদ গ) আরণ্যক ঘ) সংহিতা (৩৯) মায়ের কথায় ধ্রুব কার স্মরণ নিয়েছেন? ক) রামের খ) কৃষ্ণের গ) হরির ঘ) শিবের (৪০) স্বামী প্রণবানন্দের প্রকৃত নাম কী? ক) বিনোদ খ) আনন্দ গ) সদানন্দ ঘ) বিবেকানন্দ তোমার শ্রেণির অটিস্টিক বন্ধুদের তুমি কীভাবে সহযোগিতা করতে পার? বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সি এম মিরাজুল ইসলাম প্রভাষক ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ আমরা সবাই সমান প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী বন্ধুরা আজ সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর দেয়া হলো প্রশ্ন-ক: কোন শিশুদের অটিস্টিক শিশু বলে? উত্তর: কোনো কোনো শিশুর ‘অটিজম’ নামক একটি বিকাশগত সমস্যার কারণে আচরণ অস্বাভাবিক হয়। এ ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের ‘অটিস্টিক শিশু’ বলে। প্রশ্ন-খ: অটিস্টিক শিশুদের দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর। উত্তর: অটিস্টিক শিশুদের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো: কোনো একটি বিশেষ খেলনা বা জিনিসের প্রতি প্রবল আকর্ষণ থাকে এবং সেটি সবসময় সাথে রাখে। কোনো কোনো অটিস্টিক শিশু অন্য শিশুদের মতই লেখাপড়া করতে পারে। প্রশ্ন-গ: তোমার শ্রেণির অটিস্টিক বন্ধুদের তুমি কীভাবে সহযোগিতা করতে পার? উত্তর: কোনো কোনো শিশুর ‘অটিজম’ নামক একটি বিকাশগত সমস্যার কারণে আচরণ অস্বাভাবিক হয়। এ ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের ‘অটিস্টিক শিশু’ বলে। আমার শ্রেণির অটিস্টিক বন্ধুদের আমি নিম্নোক্তভাবে সহযোগিতা করব– তাদের সাথে এমন কোনো আচরণ করব না যাতে তারা কষ্ট পায় বা উত্তেজিত হয়। যে কাজটি করলে ওরা কষ্ট পায় এমন কাজ থেকে বিরত থাকব। তাদের লেখাপড়া ও অন্যান্য কাজে সহায়তা করব। তারা যা পছন্দ করে তাই করব। সবাই মিলে তাদের সাহায্য করব। পরিশেষে বলা যায় যে, তাদেরকে কখনো অটিজম বা অটিস্টিক বলে সম্বোধন করব না। অতিরিক্ত: যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্নোত্তর প্রশ্ন-১: অটিস্টিক শিশুদের বৈশিষ্ট্যগুলি লিখ। উত্তর: অটিজম একটি বিকাশগত সমস্যা। অটিজম সমস্যাসংক্রান্ত শিশুদের অটিস্টিক বলে। অটিস্টিক শিশুর বৈশিষ্ট্য: কোনো একটি বিশেষ খেলনা বা জিনিসের প্রতি প্রবল আকর্ষণ থাকে এবং সেটি সবসময় সাথে রাখে। কোনো কোনো অটিস্টিক শিশু অন্য শিশুদের মতই লেখাপড়া করতে পারে। অটিস্টিক শিশু শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ। তারা হয়তো কোনো খেলনা নিয়ে না খেলে বরং ওগুলো শক্ত করে ধরে বসে থাকবে, গন্ধ নেবে বা ঘণ্টার পর ঘণ্টা তার দিকে তাকিয়ে থাকবে। কোনো কোনো অটিস্টিক শিশু চমত্কার প্রতিভার অধিকারী হয়, যেমন ছবি আঁকা, অঙ্ক করা, গান করা। পরিশেষে বলা যায় যে, অটিস্টিক শিশুদের সঠিক শিক্ষা মাধ্যমেই স্বাভাবিক জীবনে অভ্যস্ত করা সম্ভব। অতিরিক্ত: সংক্ষিপ্ত পশ্নোত্তর প্রশ্ন-১: অটিজম বলতে কী বোঝ? উত্তর: অটিজম হলো মানুষের আচরণের অস্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপের ফলে সৃষ্ট এক ধরনের মানসিক বিকাশগত সমস্যা। এটি কোনো রোগ নয়। তাই চিকিত্সা দিয়ে একে নির্মূল করা সম্ভব নয়। অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের আচরণের ধরণগুলো জেনে সঠিক শিক্ষা দিলে তাদেরকে স্বাভাবিক জীবনে অভ্যস্ত করা সম্ভব। প্রশ্ন-২: অটিস্টিক শিশুরা কখন খুবই উত্তেজিত হয়? উত্তর: দৈনিক কাজের রুটিন বদল হলে অটিস্টিক শিশুরা খুবই উত্তেজিত হয়।