শুধু আশ্বাস নয় প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চায় ছিটমহালবাসী
কীর্ত্তিকা সেন বিল্টু, নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০২ জুলাই ২০১৪, ২২:০০
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরে বরাবরের মতোই অচিরেই স্থল সীমান্ত চুক্তি সম্পাদনের আশাবাদে আশা নিরাশার দোলাচলে ১৬২ ছিটমহালবাসী। ভারতের নতুন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আশ্বাসে নতুন স্বপ্ন দেখা ছিটমহালবাসী পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের এ আশাবাদে সম্পূর্ণরূপে আশ্বস্ত হতে পারেনি। কারণ গত বছরের আগস্টে ভারতের রাজ্য সভায় ল্যান্ড বাউন্ডারি এ্যাগ্রিমেন্ট বিলটি উত্থাপিত হওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বিরোধিতায় তা হয়নি। এ অবস্থায় প্রায় ৭ দশক ধরে ভাগ্যবিড়ম্বিত এ মানুষগুলোর স্বপ্ন ফের আশা নিরাশার দোলাচলে দোল খাচ্ছে।
গত ২৭ জুন ছিটমহল বিনিময়ের দাবিতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা ভারতীয় ছিটমহালবাসী তিনবিঘা করিডোর এলাকায় এবং ভারতের অভ্যন্তরে থাকা বাংলাদেশী ছিটমহালবাসী করিডোরের কিছুটা দূরে জিগাবাড়ী বিএসএফ ক্যাম্প এলাকায় সমবেত হয় । সেখানে এসব নিয়ে আলোচনা উঠেছে। প্রটোকল সীমানা চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে দীর্ঘদিন শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেও তারা ভাঙ্গতে পারেনি পরাধীনতার শৃঙ্খল। ফলে জন্মাবদি তাদের জীবনে মৌলিক চাহিদা অনুপস্থিত।
১৬২ ছিটমহলের মধ্যে ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটা ও তুফানগঞ্জ মহকুমার অভ্যন্তরে বাংলা-দেশের ছিটমহাল রয়েছে ৫১টি। যার আয়তন ৭১১০.২ একর। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১ ছিটমহালের মধ্যে লালমনিরহাটে ৫৯টি, পঞ্চগড়ে ৩৬টি, কুড়িগ্রামে ১২টি, নীলফামারীতে ৪টি ছিটমহাল রয়েছে। যার আয়তন ১৭১৫৮.১৩ একর।