নিম্নমানের সার নিয়ে বিপাকে কমলগঞ্জের ডিলাররা :ইউরিয়া সার সংকটে কৃষক

ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা থেকে উত্পাদিত সার চা বাগানে সরবরাহ করে বাজারে নিম্নমানের ও ওজনে কম পরিমাণের সার সরবরাহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ডিলাররা। চলতি আউস মৌসুমে গত এক মাস যাবত্ কৃষকরা সারের তীব্র সংকটে রয়েছেন। বাজারে বাজারে ঘুরে সার না পেয়ে রোপিত আউস নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। শমশেরনগরের কৃষক মো. দুরুদ আলী, মোবাশ্বির মিয়া, পতনঊষারের শেরওয়ান আলী, কনা মিয়া বলেন, তারা গত এক মাস বাজারে ঘুরে ইউরিয়া সার পাননি। ধান গাছ লালচে হয়ে মরে যাচ্ছে। এ সময়ে ইউরিয়া সারের খুবই প্রয়োজন। কিন্তু বাজারে নিম্নমানের কাফকো সার পাওয়া যায়, যেগুলো ভাঙার পর পাউডার হয়ে যায়। কমলগঞ্জের সার ডিলার প্রমথ পাল পিনাক ও আব্দুল মন্নান খান বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে টাকা জমা রেখেছেন। ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা থেকে উত্পাদিত সার তাদের দেয়া হচ্ছে না। ৪৫ কেজি ওজনের কাফকো সার তাদের দেয়া হয়। যেগুলো চাকা, শক্ত, ওজনে কম। এ সার ভাঙার পর পাউডার হয়ে যায়। কৃষকরা এই সার নিচ্ছেন না। তারা আরো বলেন, ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে উত্পাদিত ইউরিয়া সার চা বাগানে সরবরাহ করা হচ্ছে। কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামছুদ্দিন আহমদ বলেন, ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারাখানা থেকে ডিলারদের চাহিদামত ছোট দানার ইউরিয়া সার সরবরাহ করছে না। আগে সিদ্ধান্ত ছিল ১০ মে. টন ইউরিয়া সারের স্থলে ৮ মে. টন ও সাথে আমদানিকৃত ২ মে. টন সার দেয়া হবে। বাস্তবে এখন ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানা এ নিয়ম মানছে না। কমলগঞ্জ ইউএনও জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানার ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইস্কান্দর আলীর মোবাইল ফোনে কয়েক দফা চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।