মাছ চাষের জন্য বাঁধ দেয়ায়
ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতা
কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০১৪, ২১:৪৭
কসবা উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামে বুড়ি নদীর মোহনায় মাছ চাষের জন্য বাঁধ দেয়ার ফলে গত কয়েক দিনে অতিবৃষ্টি ও ত্রিপুরার পাহাড়ি ঢলে প্রায় দেড় হাজার একর ফসলী জমিসহ নোয়াপাড়া গ্রামের অধিকাংশ বাড়ি-ঘর ও পুকুর তলিয়ে গেছে। ফলে প্রায় ৩ শতাধিক কৃষক পরিবারে হতাশা নেমে এসেছে।
কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জালাল সাইফুর রহমান সম্প্রতি কায়েমপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী মন্দভাগ বাজার রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রাক্কলিত কাজ পরিদর্শনে গেলে নোয়াপাড়া গ্রামের কৃষকরা জলাবদ্ধতা দেখার জন্য তাকে অনুরোধ করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রায় দু’কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে অতিক্রম করে ঘটনাস্থলে গিয়ে কৃষকদের মাঠ দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি ফোনে দ্রুত ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করার জন্য উপজেলা কৃষি অফিসারকে নির্দেশ দেন।
নোয়াপাড়া গ্রামের লোকজন অভিযোগ করেন প্রত্যন্ত গ্রাম হওয়ায় এ গ্রামের মানুষ কখনও কৃষি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সেবা পান না। পার্শ্ববর্তী ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চালনা ও চারিদারি গ্রামের লোকজন বুড়ি নদীর মোহনায় মাছ চাষের জন্য বাঁধ সৃষ্টি করলে কসবা উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের বিশাল ৩টি ফসলি মাঠের প্রায় পনেরশ’ একর জমির উফশী আউশ, বি-আর ২, মালা দেউর ফসল তলিয়ে যায়। অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নোয়াপাড়া গ্রামের অধিকাংশ এলাকা তলিয়ে যায়। এতে গ্রামের অধিকাংশ পুকুরের মাছ বের হয়ে যায়।