টিভি টক শোতে কথা বলা মানেই উপস্থাপনা না
প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০১৪, ২০:০৯
আনজাম মাসুদ। দীর্ঘদিনের এই জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপক এবারে কাজের ধারাবাহিকতায় সঞ্চালনা করছেন বিটিভি ঈদ আনন্দমেলা। সে প্রসঙ্গসহ সাম্প্রতিক উপস্থাপনা কালচার নিয়ে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের কাছে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু
ঈদে আপনার বিশেষ অনুষ্ঠান কী থাকছে?
প্রতিবারের মতো এবারের ঈদেও আমার বিশেষ অনুষ্ঠান ‘আনন্দমেলা’ নিয়ে হাজির হচ্ছি। এই মুহূর্তে আমার সব ব্যস্ততা এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে। প্রোগ্রামের শুটিংয়ের কাজ চলছে এখন। তাই আমরা এখন অনেক ব্যস্ত। ঈদের ছুটিতে টিভিপর্দার সামনে আমার অনুষ্ঠান দেখে যেন একঘেয়েমি না লাগে তাই ভিন্নতা অবশ্যই থাকবে।
এবার আপনার আনন্দমেলার বিষয়বস্তু কী?
এবার আমার ‘আনন্দমেলা’ অনুষ্ঠানটি তারুণ্যনির্ভর। তরুণদের জয়জয়কার সবসময়। তাছাড়া এখানে আমি একটি বিষয় তুলে ধরেছি যে ‘ধর্ম যার যার, উত্সব সবার’। এই অনুষ্ঠানে আমি উপস্থাপন করেছি মুসলমানসহ হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধদের। তাদের সবার অংশগ্রহণেই আমার এবারের ঈদের ‘আনন্দমেলা’।
এখন উপস্থাপনা কতটা প্রফেশনাল?
আমাদের দেশে উপস্থাপনার বিষয়টির আগে আমি বলব উপস্থাপক কয়জন আছেন। টিভির ওই টক শোতে কথা বলা মানেই উপস্থাপনা না। সেখানে কোনো সৃজনশীলতা নেই। উপস্থাপক সে-ই যে মানুষটার কথা, ভঙ্গি দিয়ে পুরো মঞ্চের আকর্ষণ কেড়ে নিতে পারেন। আর প্রফেশনের কথা বললে বলব এখনও তেমন জায়গা তৈরি হয়নি যে একজন শুধুমাত্র উপস্থাপনা করেই জীবন চালাবে।
দর্শক মুগ্ধ করা ‘আনন্দমেলা’ দর্শকরা আর পাচ্ছে না কেন?
এর কারণ এখন চ্যানেলে এত নাটক যায় যে কোন নাটক কখন হয় সেটাই দর্শকরা জানেন না। আর ‘ইত্যাদি’ বা ‘আনন্দমেলা’ টাইপের অনুষ্ঠান করতে চ্যানলগুলোও আগ্রহী না। তাদের সহযোগিতা থাকলে হয়তো আমরা এমন অনুষ্ঠান আরও পেতাম। তাছাড়া স্পন্সরের একটা ভূমিকা তো আছেই। তবে এবারে কিছুটা ব্যতিক্রম উদাহরণ তৈরি করব ইনশাআল্লাহ।