গল্প নয় সত্যি
ভোট গণনার ভুলে!
প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০১৪, ১৯:৫৪
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ কিংবা অঞ্চল ভেদে সুন্দরী প্রতিযোগিতা আয়োজনের ধারণাটি বহুদিন থেকেই বেশ জনপ্রিয়। নানা সময়ে এ ধরনের সুন্দরী প্রতিযোগিতায় সেরাদের সেরা হয়ে অনেকেই যেমন শোবিজে নাম কামিয়েছেন তেমনি শিল্প-সংস্কৃতির পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজে সম্পৃক্ত হয়েও আলোচনায় এসছেন অনেকে। তবে আমেরিকার ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে সুন্দরী নির্বাচনের এমনই এক প্রতিযোগিতা নিয়ে এবার রীতিমতো বিপাকে পড়েছেন প্রতিযোগিতাটির আয়োজকেরা। চূড়ান্ত বিজয়ী ঘোষণার এক সপ্তাহ পর ভোট গণনায় ভুল হয়েছে জানিয়ে রীতিমতো বিজয়ী পল্টে দেওয়ার মতো ঘটনাই ঘটাতে হয়েছে আয়োজকদের। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, প্রতি বছরের মতো এ বছরও অনেক ঘটা করে এবং প্রয়োজনীয় সকল রাউন্ড নিয়ে আয়োজিত হয়েছিল মিস ফ্লোরিডা খুঁজে বের করার এই আয়োজন। আর এতে বিচারকদের ভোটে এবং উপস্থিত হাজার দুয়েক দর্শকের সামনে সেরা সুন্দরী নির্বাচিত হন ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডার বিশ বছর বয়সী শিক্ষার্থী এলিজাবেথ ফ্যাচেল। তবে ফল ঘোষণা এবং সেরা সুন্দরীকে বিজয়ীর মুকুট পড়িয়ে দেবার পর দিন বিচারকদের রায় পুনরায় নীরিক্ষণ করতে যেয়েই চোখ কপালে ওঠে আয়োজকদের। তারা আবিস্কার করেন, যে পাঁচজন বিচারকের রায়ে এলিজাবেথ সেরা সুন্দরী নির্বাচিত হয়েছেন সেই পাঁচ বিচারকের একজন শেষ মুহূর্তে তার রায় বদল করেন। আর এজন্য মূল নম্বরপত্রের কাগজটির বাঁ-দিকে তিনি তার নতুন নম্বর লেখেন। তবে ব্যালট গোনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি এ বিষয়টি খেয়াল না করায় ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটির অপর এক প্রতিযোগী সেরাদের সেরা হওয়া থেকে বঞ্চিত হন। কেননা সঠিকভাবে গণনা করার পর দেখা যায় ২১ বছর বয়সী ভিক্টোরিয়া কাওয়েন নামের ঐ তরুণীই হলেন প্রকৃত মিস ফ্লোরিডা। এদিকে এই ঘটনা আবিস্কৃত হওয়ার পর মিস ফ্লোরিডা নামের এই সুন্দরী প্রতিযোগিতাটির এিকউটিভ ডিরেক্টর ম্যারি সুলিভান নিজেই এলিজাবেথের বাড়িতে যেয়ে খারাপ খবরটি তাকে জানান। এলিজাবেথকে পুরো বিষয়টি বুঝিয়ে বলার পাশাপাশি এই অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থণাও করেন সুলিভান। নতুন রায় অনুযায়ী ভিক্টোরিয়া কাওয়েনকেই মিস ফ্লোরিডা হিসেবে সেপ্টেম্বরের মিস আমেরিকা প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত করা হয়েছে। অন্যদিকে ব্যক্তিগত জীবনে কাওয়েনের বন্ধু এলিজাবেথকে করা হয়েছে মিস ফ্লোরিডা রানার-আপ।