আমরা ব্যথিত হলেও খুশি

কোস্টারিকার কোচ জর্জ লুইস পিন্টো জানিয়েছেন নেদারল্যান্ডসের কাছে কোয়ার্টার ফাইনালের সাহসী হারটিতে তাদের গৌরব খর্ব হয়নি। ব্রাজিলের সালভাদরের অ্যারেনা ফন্তে নোভায় অনুষ্ঠিত শেষ আটের এই লড়াইয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে দুর্দান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলে মধ্য-আমেরিকার দেশ কোস্টারিকা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত সময়েও খেলাটি ড্র থাকার পর পেনাল্টি শুটআউটে ডাচদের কাছে হেরে যায় কোস্টারিকানরা। নেদারল্যান্ডস কোচ লুইস ফন গাল অতিরিক্ত সময়ে গোলরক্ষক বদলিয়ে দারুণ বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেন। জেসপার চিলেসেনের স্থলাভিষিক্ত টিম ক্রুলের নৈপুণ্যে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে বর্তমান রানার্স-আপরা। টাইব্রেকারে প্রতিপক্ষ কোস্টারিকার দু’টি শট দক্ষতার সঙ্গে রুখে দেন নিউক্যাসল ইউনাইটেডের এই গোলরক্ষক। বিশ্বকাপ শুরুর আগে বোদ্ধারা ‘মৃত্যুকূপ’ আখ্যা পাওয়া ‘ডি’ গ্রুপের দল হিসেবে কোস্টারিকার ক্ষীণ সম্ভাবনাই দেখেছিলেন। অথচ অপরাজিত থেকেই, এমনকি খেলাগুলোয় নির্ধারিত সময়ে না হেরেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলতে সক্ষম হয়েছে তারা। তাই টুর্নামেন্টের এই পর্যায়ে এসে হারলেও কোনো দুঃখ নেই কোস্টারিকা কোচ পিন্টোর, ‘আমরা আহত, কিন্তু খুশি। আমরা কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবো, এটা অনেক মানুষই বিশ্বাস করতে পারেনি।’ ফিফা ডটকমকে পিন্টো আরও বলেন, ‘টুর্নামেন্ট আমাদের ছেড়ে দিতে হলেও, আমরা হারিনি। এমনকি সুপার পাওয়ারদের বিপক্ষেও আমরা ওঠে এসেছি।’ কোচ পিন্টো বলেন, ‘এই সন্ধ্যায় (শনিবার) আমরা মনে করি ডাচদের বিপক্ষে আমরা খাপ খাওয়াতে পেরেছি। যদিও কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ে উন্নতি করার সুযোগ রয়েছে আমাদের, তারপরও আমরা দারুণ উন্নতি করেছি। আমরা যে নিজেদের সংগঠিত করতে পারি তা দেখাতে পেরেছি। দেখিয়েছি আমাদেরও ভাল কৌশল আছে এবং আমরাও ফুটবল খেলতে পারি।’