ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীতে তীব্র যানজট
দিলদার হোসেন স্বপন, পরশুরাম (ফেনী) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০১৪, ২১:০৫
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর ৩৫ কিলোমিটার এলাকায় খানা-খন্দক, চার লেন প্রকল্পের কাজ চলা ও দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কে প্রায় প্রতিদিন যানজট লেগেই রয়েছে। সড়কে গর্তের কারণে স্প্রিং ভেঙ্গে মাঝপথে বিকল হয়ে যাওয়া গাড়ি সরানোর জন্য হেভি রেকার, ক্রেনসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকায় ছোট বাস, ট্রাকগুলো উদ্ধার করতে পারলেও বড় লং হেভিক্যাল, কাভার্ডভ্যান, ওভারলোডেড কভার্ডভ্যানগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না। উদ্ধার কাজ বিলম্বের কারণে মহাসড়কে যানজট আরো দীর্ঘ হচ্ছে। সড়কের গর্তগুলো যদি দ্রুত ভরাট করা না হয়, তা হলে সামনে ঈদ উপলক্ষে এই যানজট আরো প্রকট আকার ধারণ করবে বলে মনে করছেন হাইওয়ে পুলিশ ও পরিবহন নেতারা।
ফেনী মহিপাল হাইওয়ে থানা পুলিশ, পরিবহন নেতা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, এই মহাসড়কে বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, বড় লং হেভিক্যাল, কাভার্ডভ্যান এবং ওভারলোডেড কভার্ডভ্যানসহ ছোট বড় দৈনিক প্রায় ২৬ হাজার দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করে। এ সড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট বড় গর্ত হয়ে গেছে। বৃষ্টির কারণে গর্তগুলো আরো বড় হয়ে যাচ্ছে। ফলে স্বাভাবিকভাবে গাড়ি চলতে না পেরে ধীরগতিতে চলাচল করছে। সড়কের বিভিন্ন জায়গায় গাড়িগুলো গর্তের মধ্যে পড়ে বিকল হয়ে যাচ্ছে। গাড়ি বিকল হলে তত্ক্ষণিকভাবে যানজটের সৃষ্টি হয়ে লাইন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতে থাকে। পুলিশ তত্ক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গেলেও হেভি রেকার, ক্রেনসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকায় উদ্ধার কাজ বিলম্বের কারণে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
বাংলাদেশ আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের ফেনী জেলা কমিটির সভাপতি আবদুল মালেক ভূঁইয়া জানান, দুর্ঘটনার সাথে সাথে দ্রুত রাস্তা পরিষ্কার করে ফেললে যানজট সৃষ্টি হয় না। আমরা দেখি মহাসড়কের পাশে থানা থাকা সত্ত্বেও তারা ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ফলে যানজট লেগেই থাকে। আন্তঃজেলা বাস মালিক সমিতির সাধারল সম্পাদক নাসির উদ্দিন বাবলু জানান, ফোর লেনে প্রকল্পের কাজ ও রাস্তায় গর্তের কারণে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।
ফেনী মহিপাল হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছালেহ্ আহম্মদ পাঠান বলেন, রাস্তায় যে গর্ত আছে এগুলো ভরাট করা না হলে ঈদে এই যানজট আরো প্রকট আকার ধারণ করবে। সড়কে ফোর লেন প্রকল্পের কাজ চলছে, একটু যানজট লেগে গেলে গাড়িগুলো ফোর লেনে উঠে উল্টো দিয়ে নামতে গিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করছে, ফলে আমাদের হিমসিম খেতে হচ্ছে।