দীঘিনালায় বসতিহীন এলাকায় বিজিবি ক্যাম্প স্থানান্তর করুন

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় আদিবাসীদের বসতি এলাকা থেকে বিজিবি ক্যাম্প স্থানান্তর এবং বিজিবি ক্যাম্প নির্মাণ সংশ্লিষ্ট ঘটনাবলী তদন্তের জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন বিশিষ্ট নাগরিকরা। একইসাথে উচ্ছেদকৃত আদিবাসীদের নিজ ভিটেমাটিতে অবিলম্বে প্রত্যাবর্তনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করারও দাবি জানিয়েছেন তারা। সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির গোলটেবিল কক্ষে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলন থেকে এ দাবি জানানো হয়। ‘খাগড়াছড়ির ৪নং দীঘিনালা ইউনিয়নের ৫১নং দীঘিনালা মৌজার ৫১ বিজিবি সদর দপ্তর নির্মাণ ও আদিবাসী পরিবার উচ্ছেদ ঘটনাবলী’ সরেজমিন পরিদর্শন শেষে এ সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেন নাগরিক দল। সরকারের প্রতি পাঁচ দফা সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে নাগরিক দলের পক্ষে বলা হয়, আদিবাসীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং আটককৃতদের মুক্তি প্রদান করতে হবে। এ সময় কলামিস্ট আবুল মকসুদ বলেন, বাবুছড়ায় ৫১ বিজিবি ক্যাম্প স্থাপন করতে গিয়ে দুইটি আদিবাসী গ্রাম উচ্ছেদ করার ঘটনা অত্যন্ত অমানবিক। এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা বলেন, সরকার শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন না করে বরং পাহাড়ের আদিবাসীদের অস্তিত্বকে বিপন্ন করে তুলেছে। সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আদিবাসী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্রনাথ সরেন, আইইডির নির্বাহী পরিচালক নুমান আহম্মদ খান, এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা।