চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের বেহাল অবস্থা

চট্টগ্রাম কাপ্তাই সড়কের পাহাড়তলী থেকে চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান পর্যন্ত ২৫ কি.মি. এলাকার অবস্থা বেহাল হয়ে পড়েছে। প্রতিনিয়ত অসংখ্য যানবাহন এবং বিভিন্ন শ্রেণীর হাজার হাজার যাত্রী মারাত্মক ঝঁ্ুকিতে চলাচল করছে। বিভিন্নস্থানে বিক্ষিপ্তভাবে পিচ এবং ইট-সুরকি উপড়ে ছোট-বড় গর্ত এবং জলাবদ্ধতার সৃষ্টিতে দীর্ঘ সড়ক বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়। ফলে যানবাহন চলাচল খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে চলমান বর্ষায় বৃষ্টির পানিতে সয়লাব হয়ে থাকার কারণে সড়কের বিভিন্নস্থানে দুরবস্থা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। দুর্ঘটনা নিত্যকার ব্যাপার হয়ে উঠেছে এসব এলাকায়। সড়কের যাত্রীবাহী বাসের চালক আব্দুল কুদ্দুছ জানায়, পাহাড়তলী থেকে চট্টগ্রাম অংশেও সড়ক বেহাল দশা দেখা দিয়েছে। খানা-খন্দক এবং জলাবদ্ধতা সড়কে বাস চলাচলে যাত্রীদের দুর্ভোগের পাশাপাশি গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়ক পরিবহনের বাস-মিনিবাস ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম চৌধুরী জানান, যানবাহন চলাচলে সড়কের খানা-খন্দকের অংশগুলো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সড়ক ও জনপথ (সওজ) চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রাশেদুল আলম জানান, ওয়াসার পাইপ লাইন স্থাপনে ব্যাপকহারে সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি হয়েছে। এতে দীর্ঘ সড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। কিন্তু ওয়াসার প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কবুতা মারুবিনীসহ যৌথ ঠিকাদারী সংস্থা চুক্তি অনুসারে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কে মেরামত কাজ করেনি। এতে নোয়াপাড়া, পাহাড়তলীসহ সড়কের ১৪/১৫ স্পটে বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক মেরামতের জন্য ইতিমধ্যে ১০/১৫টি চিঠি দেয়া হয়েছে । কিন্তু ঠিকাদারী সংস্থা কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না।