চন্দ্রঘোনার খ্রিস্টিয়ান হাসপাতাল সড়কটি কর্ণফুলীতে বিলীনের আশঙ্কা
রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি ও কাপ্তাই সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০১৪, ২১:১৯
কাপ্তাই উপজেলায় অবস্থিত চন্দ্রঘোনা খ্রিস্টিয়ান মিশন হাসপাতাল সড়কটি যে কোন মুহূর্তে কর্ণফুলী নদীতে বিলীন হবার আশঙ্কা রয়েছে। আর একবার যদি সড়কটি নদীতে বিলীন হয় তাহলে নতুন করে সড়ক তৈরি করার আর কোন উপায় থাকবে না। কেননা নতুন সড়ক তৈরি করার বিকল্প কোন জায়গা এর আশে-পাশে নেই। জানা গেছে সড়কটিতে প্রতিদিন বিভিন্ন প্রকারের পাঁচ শতাধিক যানবাহন চলাচল করে। খ্রিস্টিয়ান হাসপাতাল ছাড়াও চন্দ্রঘোনা জেনারেল হাসপাতাল, কুষ্ঠ হাসপাতাল, কর্ণফুলী পেপার মিল, ঐতিহ্যবাহী দোভাষী বাজার, লিচুবাগানসহ চন্দ্রঘোনা শিল্প এলাকার লোকজন চট্টগ্রামে যাতায়াতের জন্য এই সড়কটি ব্যবহার করেন। এছাড়াও কেপিএম স্কুল এণ্ড কলেজ, পাহাড়িকা উচ্চবিদ্যালয়, ব্যাপ্টিষ্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চন্দ্রঘোনা তৈয়্যবিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা, নারানগিরি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এই সড়ক ব্যবহার করেন। প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে চার হাজার নারী-পুরুষ এই সড়কে যাতায়াত করে। সড়কের দোভাষী বাজার ত্রি-সুন্দরী সেতু থেকে খানের মাজার ও খানের মসজিদ পর্যন্ত চারশ’ ফুট সড়ক অত্যধিক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
সড়কের একপাশে চন্দ্রঘোনা খ্রিস্টিয়ান মিশন হাসপাতালের ধারক দেয়াল। আরেক পাশে বয়ে যাচ্ছে কর্ণফুলী নদী। প্রায় ১৪ ফুট চওড়া এই সড়কের ৬ স্থানে বর্তমানে নদীতে ভাঙ্গন ধরেছে। এর মধ্যে ৩ স্থান ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এর নিচের মাটি সরে কোন কোন স্থানে রাস্তা শূন্যে ঝুলে আছে। কাপ্তাই মানবাধিকার কমিশনের সদস্য এম স্টিফেন মিত্র বলেন- এখন সড়কটি সংস্কার করতে যে অর্থ খরচ হবে একবার যদি সড়কটি ভেঙ্গে পড়ে তাহলে এর ১০ গুণ অর্থ খরচ করেও এটি সংস্কার করা সম্ভব হবে না।