সাবেক শিষ্যই হতাশ করল ডাচ কোচকে
প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০১৪, ২১:৪১
কোচ লুই ফন গলের শিক্ষা কাজে লাগিয়েই পুরনো গুরুকে বধ করলেন আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক সের্জিও রোমেরো। তার নৈপুণ্যেই গত বুধবার সেমিফাইনালে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে দেয় আর্জেন্টিনা।
সাও পাওলোয় অনুষ্ঠিত খেলাটিতে পেনাল্টি শুটআউটে ৪-২ গোলে জিতে ফাইনাল নিশ্চিত করে দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। এই লড়াইয়ে নেদারল্যান্ডসের রন ভ্লার এবং ওয়েসলি স্নেইডারের শট রুখে দেন রোমেরো।
তাক লাগানো এই গোলরক্ষক সম্পর্কে আদ্যোপান্ত জানেন নেদারল্যান্ডের কোচ ফন গল। তিনিই ২০০৭ সালে বুয়েন্স আয়ার্সের রেসিং ক্লাব থেকে নেদারল্যান্ডসের এ জেট আল্কমারে চুক্তিবদ্ধ করিয়েছিলেন রোমেরোকে। ২০০৯ সালে ফন গাল বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেয়ার আগে ক্লাবটিতে তার তত্ত্বাবধানে দু’বছর খেলেছেন রোমেরো।
খেলাটি শেষে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কোচ হতে চলা ফন গল স্বীকারও করলেন সেমিফাইনালে নেদারল্যান্ডসের ভরাডুবির সঙ্গে পরোক্ষভাবে তিনি নিজেই জড়িত। কেননা হল্যান্ডে থাকাকালীন এই কোচের কাছেই তালিম নেন রোমেরো। ফন গাল বলেন, ‘কিভাবে পেনাল্টি আটকে দিতে হয়, আল্কমারে আমি তাকে এটা শিখিয়েছিলাম। সেজন্যই এটা ব্যথা দিচ্ছে। আমাদের ক্লাবটিই তাকে ইউরোপে নিয়ে এসেছিল। সে অনেক মেধাবী ছিল এবং এমন একজন যার এ ধরনের কিছু করে দেখানোর গুণ আছে।’
টাইব্রেকারে ফনগালের দলটিই ফেভারিট ছিল। এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালেও কোস্টারিকার বিপক্ষে টাইব্রেকারে জয়লাভ করে তার দল। গোল পোস্টের ১২ গজ দূর থেকে নেয়া একটি শটও মিস হয়নি গেলবারের ফাইনালিস্টদের।
কিন্তু সাও পাওলোতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। কেননা ডাচ কোচ পেনাল্টি শট মারার জন্য পর্যাপ্ত খেলোয়াড় খুঁজে পাননি। খেলোয়াড়দের এমন ভূমিকা বিস্মিত করেছে নেদারল্যান্ডস কোচকে। এরপর ফন গল বলার পরও দু’জন খেলোয়াড় টাইব্রেকারে প্রথম শট নিতে রাজি হননি। শেষে ভ্লার এসে প্রথম শটটি নেন এবং বিফল হন।