পুরস্কার পেয়েই অনেকে নিজেকে তারকা ভেবে বসে
প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০১৪, ২০:২৫
সামিনা চৌধুরী। এদেশের শুদ্ধ গানের অন্যতম প্রথিতযশা এক চালকের নাম। নিজের গান নিয়ে আজীবন সাধনায় মুগ্ধ থাকা এই শিল্পীর সাম্প্রতিক কাজ নিয়ে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু
¬আপনার ঈদের ব্যস্ততা?
ঈদে সাধারণত টিভি চ্যানেলগুলোর অনুষ্ঠান নিয়েই ব্যস্ত থাকতে হয়। এবারও তাই। ঈদের কাজের পাশাপাশি প্লে-ব্যাকেও গান করলাম। শাহীন কবির টুটুলের ‘গোল্ল¬াছুট’ চলচ্চিত্রে গান করলাম। অনরূপ আইচের লেখা ‘এক ফালি চাঁদ’ গানটির মধ্য দিয়ে অনেকদিন পর আবারও আসিফের সাথে ডুয়েট করলাম। অনেকদিন পর ভঅল একটি গান গাইলাম। আশা করি আমার শ্রোতারাও উপভোগ করবেন।
দীর্ঘদিন পর দুই বোন একসাথে গাইলেন। কেমন লাগছে-
প্রায় ২৬ বছর পর আবারও দুই বোন একসাথে গাইলাম। আসিফ ইকবালের লেখা ও নকীব খানের সুরে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলাম আমরা। গানটির মাধ্যমে পেছনের দিনগুলোর কথা মনে পড়ে যায়। এই ঈদে চ্যানেলগুলোতে গানটি প্রচার হবে।
আপনার অ্যালবামের কাজ কতদূর?
আমার ‘পুষ্প বৃষ্টি’ অ্যালবামের কাজ প্রায় শেষ। ইনশাআল্লাহ যতদ্রুত সম্ভব চলতি বছরেই অ্যালবামগুলো প্রকাশ করবো। ‘পুষ্প বৃষ্টি’ অ্যালবামের গানগুলো লিখেছেন ও সুর করেছেন মোঃ আব্দুল বারী। অ্যালবামে মোট দশটি গান থাকছে। এর মধ্যে একটি ডুয়েটি আমার সাথে কণ্ঠ দিয়েছে বাপ্পা মজুমদার। ‘পুষ্প-বৃষ্টি’ অ্যালবাম ছাড়াও রবীন্দ্র ও নজরুল সঙ্গীতের অ্যালবামও করছি। অ্যালবাম দুটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন বাপ্পা মজুমদার ও ইবরার টিপু।
সেরা কণ্ঠের বিচারক আসনে এবারও থাকছেন, প্রতিযোগিদের মান কেমন?
প্রতিযোগিরা তো বিভিন্ন রকমের। এরই মধ্য থেকে বেছে আনতে হয়। তবে প্রতিবারই প্রতিভাবান শিল্পী আমরা পাই। আমাদের দেশের আনাচে কানাচে যে কত মেধাবী কণ্ঠ আছে এই প্রতিযোগিতায় না আসলে জানা যায় না। শুধু একটু সুযোগের কারণে তার নিজেদের বিকাশ ঘটাতে পারেনা। চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ সেই কাজটি করছে। প্রতিবারের মত এবারও অনেক মেধাবী কিছু কণ্ঠ বের হবে ইনশাআল্লাহ।
প্রতিযোগিতা থেকে বের হবার পর সবাইকে সঙ্গীতাঙ্গনে দেখা যায় না, এর কারণ?
কারণ তো বিভিন্ন রকমই হতে পারে। রিয়েলিটি শোতে তো একটি গণ্ডির মধ্যে থাকে। সেখান থেকে বের হয়ে যখন মানুষ সেই প্রতিযোগির গান টাকা দিয়ে কিনবে, তখন তো নিজের দায়িত্বের জায়গা আরও বেড়ে যায়। কিন্তু পুরস্কার পেয়েই অনেকে নিজেকে তারকা ভেবে বসে। ভুলটা হয় ঠিক তখনই। তাই বলবো চর্চার কোন কমতি নেই। টিকে থাকতে হলে নিজের ইচ্ছা শক্তির পাশাপাশি পরিশ্রমও প্রয়োজন।