গল্প নয় সত্যি

স্মার্টফোন ব্যবহারে কর্মবিরতি!

ধরুন আপনিই কোনো একটি অফিসের সবচেয়ে বড় কর্তা। এ অবস্থায় আপনার কোনো কর্মীকে যদি কাজ বাদ দিয়ে তার স্মার্টফোনে গেম খেলতে বা অন্য কোনো অ্যাপ ব্যবহার করতে দেখেন তাহলে সেটিকে কি স্বাভাবিক ভাবে মেনে নেবেন? অথবা এর উল্টো পিঠে আপনি যদি কোনো একটি অফিসের কর্মী হন তাহলে আপনি কি পারবেন আপনার বসের কাছে স্মার্টফোন ব্যবহারের জন্য আলাদা করে কিছুটা সময় চাইতে? প্রশ্নগুলো শুনতে হয়তো অদ্ভুত শোনাচ্ছে। তবে এর চাইতেও অদ্ভুত কিন্তু এ ধরনের প্রশ্নে গবেষকদের উত্তরটি। কাজের মাঝে স্মার্টফোন ব্যবহার করে কথা বলা, টেক্সট করা বা গেম খেলা কি ভালো না মন্দ তা জানতেই যুক্তরাষ্ট্রের ক্যানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞ সিওল কিম ও তার সহযোগীরা এই গবেষণা চালান। আর গবেষণার ফলাফল হিসেবে তারা বলেছেন, প্রতিদিনের আট ঘণ্টার কাজ আর কাজের মাঝে দুপুরের খাবারের জন্য দেওয়া নিয়মিত বিরতির বাইরে যদি গড়ে বিশ থেকে বাইশ মিনিট সময়ও কর্মীদেরকে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হয় তাহলে সেটি পক্ষান্তরে ঐ প্রতিষ্ঠানের উত্পাদনশীলতা বা সৃষ্টিশীলতা বাড়াতেই সহায়তা করে। এ ছাড়া এ ধরনের হালকা বিরতির কারণে একজন কর্মী তার কাজের চাপ ভুলে কিছুটা সময় ফুরফুরে মেজাজে থাকতে পারেন বলে সেটি তাদের কাজের মানও বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া অনেকে তাদের স্মার্টফোনে প্রিয়জনকে বার্তা পাঠিয়ে বা তাদের সাথে কথা বলে অনেকটা স্বস্তি বোধ করেন বলে এটি তাদেরকে চিন্তামুক্ত হয়ে কম সময়ে ভালো কাজ করতে সহায়তা করে। উল্লেখ্য, এই গবেষণার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সবমিলিয়ে ৭২ জন কর্মীর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়।